Advertisement

জুমবাংলা ডেস্ক : মাঝে বাড়লেও সপ্তাহের ব্যবধানে পেঁয়াজ ও নতুন আলুর দাম কেজিতে কমেছে ১০ টাকা। ডিমের দামও ডজনে কমেছে ১০ টাকা। তবে এ সপ্তাহেও আরেক দফা বাড়ানো হয়েছে ভোজ্যতেলের দাম।

শুক্রবার রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে, পুরনো আলুর কেজি আগের মতো বিক্রি হচ্ছে ৪০ থেকে ৪৫ টাকা। তবে গত সপ্তাহে দাম বেড়ে কেজি ৫০ থেকে ৬০ টাকা হওয়া নতুন আলুর দাম কমে ৪০ থেকে ৪৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

কারওয়ানবাজারের ব্যবসায়ী সিদ্দিকুর রহমান বলেন, আলুর সরবরাহ কম থাকায় গত সপ্তাহে দাম একটু বেড়েছিল। এখন আবার আলুর সরবরাহ বেড়েছে। এ কারণে দামও কমেছে। আমাদের ধারণা কিছুদিনের মধ্যে নতুন আলুর দাম আরও কমবে।

এদিকে সপ্তাহে দাম বেড়ে যাওয়া পেঁয়াজের দামও কিছুটা কমেছে। গত সপ্তাহে ৬০ থেকে ৭০ টাকা কেজি বিক্রি হওয়া দেশি পেঁয়াজের দাম কমে ৫০ থেকে ৬০ টাকা হয়েছে। আমদানি করা পেঁয়াজ ২৫ থেকে ৩০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে, যা গত সপ্তাহে ছিল ৩০ থেকে ৪০ টাকা।

কারওয়ানবাজারের পেঁয়াজ ব্যবসায়ী নোয়াব আলী বলেন, বাজারে এখন পর্যন্ত পর্যাপ্ত পরিমাণে নতুন পেঁয়াজ আসছে। এ পেঁয়াজের মানও বেশ ভালো। নতুন পেঁয়াজের সরবরাহ বাড়ায় দাম কমেছে। সামনে পেঁয়াজের দাম আরও কমবে।

আলু ও পেঁয়াজের দাম কমার মধ্যে স্বস্তি দিচ্ছে ডিম। সপ্তাহের ব্যবধানে ডিমের দাম ডজনে ১০ টাকা কমেছে। গত সপ্তাহে ৯৫ টাকা ডজন বিক্রি হওয়া ডিম এখন ৮৫ টাকায় পাওয়া যাচ্ছে।

এ ব্যাপারে আক্কাস আলী নামে এক ব্যবসায়ী বলেন, বাজারে চাহিদার তুলনায় এখন ডিমের সরবরাহ বেশি। ডিমের আমদানি (সরবরাহ) বেশি হওয়ায় এখন দাম কমেছে। তবে আমাদের ধারণা কিছুদিনের মধ্যে ডিমের দাম বেড়ে যাবে।

সবজির বাজার ঘুরে দেখা গেছে, সপ্তাহের ব্যবধানে শিমের দাম কিছুটা বেড়ে মানভেদে কেজি বিক্রি হচ্ছে ৩০ থেকে ৫০ টাকা, যা গত সপ্তাহে ছিল ২০ থেকে ৩০ টাকা। অপরিবর্তিত রয়েছে অন্যান্য সবজির দাম।

ফুলকপি ও বাঁধাকপি প্রতিটি বিক্রি হচ্ছে ২০ থেকে ৩০ টাকা। মুলা ১০ থেকে ১৫ টাকা কেজি পাওয়া যাচ্ছে। ৪০ টাকার মধ্যে পাওয়া যাচ্ছে বড় লাউ। গাজর বিক্রি হচ্ছে ৪০ থেকে ৫০ টাকা কেজি। বেগুনের কেজি ৩০ থেকে ৪০ টাকা, উস্তের (করলা) কেজি বিক্রি হচ্ছে ৪০ থেকে ৫০ টাকা।

সবজির দামের বিষয়ে কারওয়ানবাজারে ব্যবসায়ী মো. আলামিন বলেন, বাজারে এখন বিচি শিম আসছে। এই শিমের চাহিদা বেশি। এ কারণে দামও একটু বেশি। তবে অন্যান্য সবজির দাম বাড়েনি। সহসা সবজির দাম বাড়ার সম্ভাবনাও কম। বরং সামনে দাম আরও কমতে পারে।

এদিকে প্রতি লিটার খোলা সয়াবিন তেল খুচরা বাজারে বিক্রি হচ্ছে সর্বোচ্চ ১১০ টাকা। যা গত সপ্তাহে বিক্রি হয়েছে ১০৫ টাকা। ৩ মাস আগে বিক্রি হয়েছে ৮৫-৮৬ টাকা।

পাশাপাশি পাম অয়েল ও বোতলজাত সয়াবিনের দাম অস্বাভাবিকভাবে বেড়েছে। সপ্তাহের ব্যবধানে খুচরা বাজারে আদা, রসুন ও হলুদের দামও বেড়েছে। রাজধানীর কারওয়ান বাজার, নয়াবাজার ও মালিবাগ কাঁচাবাজার ঘুরে এ তথ্য পাওয়া গেছে।

ট্রেডিং কর্পোরেশন অব বাংলাদেশও (টিসিবি) এসব পণ্যের দাম বাড়ার তথ্য জানিয়েছে। বৃহস্পতিবার টিসিবির মূল্য তালিকায় বলা হয়- সপ্তাহের ব্যবধানে প্রতি লিটার খোলা সয়াবিনের দাম ৩ দশমিক ৪৩ শতাংশ বেড়েছে।

পাঁচ লিটারের বোতলজাত সয়াবিনের দাম ৩ দশমিক ৭৪ শতাংশ বেড়েছে। প্রতি লিটার লুজ পাম অয়েল সপ্তাহের ব্যবধানে ২ দশমিক ৭৩ শতাংশ দাম বেড়েছে। প্রতি লিটার বোতলজাত সয়াবিন বিক্রি হয়েছে সর্বোচ্চ ১২৫ টাকা। যা ৭ দিন আগে বিক্রি হয়েছে ১২০ টাকা। আর ২ সপ্তাহ আগে বিক্রি হয়েছে ১১৫ টাকা।

পাশাপাশি পাঁচ লিটারের বোতলজাত সয়াবিন বিক্রি হয়েছে সর্বোচ্চ ৫৮০ টাকা। যা ৭ দিন আগে বিক্রি হয়েছে ৫৬০ টাকা। আর ১ মাস আগে বিক্রি হয়েছে সর্বোচ্চ ৫২৫ টাকা। এ দিন খুচরা পর্যায়ে প্রতি লিটার লুজ পাম অয়েল বিক্রি হয়েছে সর্বোচ্চ ৯৫ টাকা। যা ৭ দিন আগে বিক্রি হয়েছে ৯২ টাকা। ১ মাস আগে বিক্রি হয়েছে ৮৬-৮৮ টাকা। পাশাপাশি প্রতি কেজি আমদানি করা আদার দাম বেড়েছে ১৪ দশমিক ২৯ শতাংশ। কেজিতে আমদানি করা রসুনের দাম বেড়েছে ৫ দশমিক ৫৬ শতাংশ। প্রতি কেজি হলুদের দাম বেড়েছে ২৯ দশমিক ৪১ শতাংশ।

Zoom Bangla News
Zoom Bangla News
inews.zoombangla.com
Follow

Follow Zoom Bangla News On Google

Open the Google follow page and tap the checkmark option to receive more updates from Zoom Bangla News in your Google news feed.

Follow Zoom Bangla News On Google

Shamim Reza is an experienced journalist and sub-editor at Zoom Bangla News, with over 13 years of professional experience in the field of journalism. Known for his strong writing skills and editorial insight, he contributes to producing accurate, engaging, and well-structured news content. Born and brought up in Jashore, his background and experience shape his deep understanding of social and regional perspectives in news reporting.