in

দীর্ঘ সাত ঘণ্টা রুদ্ধদ্বার বৈঠক শেষে যা বললেন ফখরুল

জুমবাংলা ডেস্ক : দলের কেন্দ্রীয় কমিটির নেতাদের সাথে ধারাবাহিক মতবিনিময় সভায় দ্বিতীয় দিনে দীর্ঘ সাত ঘণ্টা বৈঠক করেছে বিএনপি নেতারা। বুধবার (১৫ সেপ্টেম্বর) বিকেলে সেয়া ৪টায় বৈঠক শুরু হয়ে চলে রাত সাড়ে ১১টা পর্যন্ত। বৈঠক শেষে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, আমাদের ধারাবাহিক বৈঠক চলছে। আগামীকাল বিএনপির অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের কেন্দ্রীয় নেতাদের সভা অনুষ্ঠিত হবে। এর পরেও আরেকটি মিটিং করা হবে সেটার সময় এখনও নির্ধারণ করা হয়নি। শনিবারের সভায় তা নির্ধারণ করা হবে।

ফখরুল বলেন, আজকে মূলত আলোচনা হয়েছে দেশের রাজনৈতিক ও সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে। এছাড়া বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের বিরুদ্ধে বিভিন্ন মিডিয়া ভিত্তিহীন বানোয়াট অসত্য সংবাদ প্রচার করছেন এর তিব্র নিন্দা জানানো হয়েছে। আমরা এধরণের সংবাদ প্রচারের জন্য তিব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।

দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে রাজনৈতিক কর্মকৌশল ঠিক করার লক্ষ্যে নেতাদের মতামত জানতে গতকাল থেকে এই ধারাবাহিক বৈঠক শুরু হয়েছে।

প্রথম দিন দলের ভাইস চেয়ারম্যান ও দলের চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্যদের মতামত জেনেছেন তারেক। সাড়ে ৪ ঘন্টার ওই বৈঠকে ২৮ জন নেতা আগামী নির্বাচন ও দলের করণীয় বিষয়ে মতামত দেন।

দ্বিতীয় দিনের বৈঠকে দলের যুগ্ম মহাসচিব-সাংগঠনিক সম্পাদক-সহ সম্পাদক মিলে ১২০ জন উপস্থিত ছিলেন। এর মধ্যে বক্তব্য রেখেছেন ৯৫ জন।

এদের মধ্যে ছিলেন- যুগ্ম মহাসচিব মাহবুব উদ্দিন খোকন, মজিবুর রহমান সারোয়ার, সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, খায়রুল কবির খোকন, হারুন অর রশীদ, হাবিব উন নবী খান সোহেল, সাংগঠনিক সম্পাদক ফজলুল হক মিলন, নজরুল ইসলাম মঞ্জু, রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু, মাহবুবের রহমান শামীম, বিলকিস জাহান শিরিন, আসাদুল হাবিব দুলু, সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স, শ্যামা ওবায়েদ, ডা সাওয়াত হাসান জীবন, মোস্তাক মিয়া, বিশেষ সম্পাদক আসাদুজ্জামান রিপন, সম্পাদকদের মধ্যে সালাহউদ্দিন আহমেদ, আনম এহছানুল হক মিলন, শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানী, শিরিন সুলতানা, মাসুদ আহমেদ তালুকদার, অধ্যাপক ওবায়দুল ইসলাম, অধ্যক্ষ সেলিম ভুঁইয়া, এবিএম মোশাররফ হোসেন, আজিজুল বারী হেলাল, আশরাফউদ্দিন উজ্জ্বল, লুতফুর রহমান কাজল, আনিসুজ্জামান খান বাবু, রিয়াজুল ইসলাম রিজু, জয়নাল আবেদীন, নুরে আরা সাফা, ডা. রফিকুল ইসলাম, খালেদ মাহবুব শ্যামল, এএমএ নাজিম উদ্দিন, সোহরাব উদ্দিন, মোসাদ্দেক হোসেন বুলবুল, জিকে গাউস, গৌতম চক্রবর্তী, আবুল কালাম আজাদ, শেখ ফরিদ আহমেদ মানিক, আসাদুজ্জামান আজাদ, মীর সরফত আলী প্রমুখ।

সহ সম্পাদকদের মধ্যে ছিলেন এবিএম আশরাফ উদ্দিন নিজান, দেওয়ান মো. সালাহউদ্দিন, মোস্তাফিজুর রহমান বাবুল, কুদ্দুসুর রহমান, তাইফুল ইসলাম টিপু, মুনির হোসেন, বেলাল আহমেদ, ফাহিমা নাসরিন মুন্নী, রুমিন ফারহানা, অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, শহিদুল ইসলাম বাবুল, রওনকুল ইসলাম টিপু, ইকবাল হোসেন, মাহবুবুল হক নান্নু, হারুনুর রশীদ, শামীমুর রহমান শামীম, শরীফুল আলম, সেলিমুজ্জামান সেলিম, আমিরুজ্জামান শিমুল, এএইচএম ওবায়দুর রহমান চন্দন, জয়ন্ত কুমার কুন্ড, মাশুকুর রহমান, কাদের গনি চৌধুরী, হুমায়ুন কবীর খান, ফিরোজ-উজ জামান মোল্লা, ওয়ারেস আলী, হারুনুর রশীদ হারুন, নিলোফার চৌধুরী মনি, রেহানা আক্তার রানু, শাম্মী আখতার, মীর নেওয়াজ আলী নেওয়াজ, খালেদ হোসেন চৌধুরী পাইন, ফরিদা মনি শহিদুল্লাহ, জালাল উদ্দিন মজুমদার্, মাহবুবুল হাসান বাবু, আনিসুর রহমান তালুকদার খোকন, নজরুল ইসলাম আজাদ, আমিরুল ইসলাম আলীম, হেলেন জেরিন খান, শাহাবুদ্দিন সাবু, কাজী আবুল বাশার, অর্পনা রায় দাস, দীপেন দেওয়ান, অমলেন্দু অপু, আবদুল বারী ড্যানি, চৌধুরী আবদুল্লাহ আল ফারুক, শফিকুল হক মিলন, রফিকুল ইসলাম বাচ্চু, রফিকুল কবির লাবু, আশরাফ উদ্দিন বকুল, এসএম গালিব, মনিষ দেওয়ান, ওয়াদুদ ভুঁইয়া।

তারেক রহমানের সভাপতিত্বে এই বৈঠকে দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেন, মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, নজরুল ইসলাম খান, সেলিমা রহমান ও ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু উপস্থিত রয়েছেন। বিএনপির চেয়ারপারসন কার্যালয়ের এবিএম আবদুস সাত্তার ও রিয়াজ উদ্দিন নসু ও প্রেস উইংয়ের সদস্য শায়রুল কবির খান ও শামসুদ্দিন দিদার।

২০১৬ সালের ১৯ মার্চ ষষ্ঠ কাউন্সিলের পর খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে গঠিত নির্বাহী কমিটির বর্তমান সংখ্যা ৫০২ সদস্যের।

বৃহস্পতিবার বিএনপির বিভিন্ন অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাদের সাথে বৈঠকের মধ্য দিয়ে তিন দিনের ধারাবাহিক বৈঠক শেষ হবে। ২০১৮ সালের ফেব্রুয়ারিতে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া কারাবন্দি হওয়ার পরে কেন্দ্রীয় নেতাদের সাথে এটি তারেক রহমানের প্রথম আনুষ্ঠানিক বৈঠক।