জুমবাংলা ডেস্ক : শরীয়তপুর নড়িয়ায় দুইদিন চিকিৎসার পর গোখরা সাপের দংশনে মৃতপ্রায় এক কৃষকের জ্ঞান ফিরেছে। এ নিয়ে দ্বিতীয়বারের মতো সাপে কাটা রোগীকে সুস্থ করল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স।
জানা গেছে, বুধবার (২ জুন) পাটক্ষেতে কাজ করতে গিয়ে কৃষক মো. জসিম হাওলাদার গোখরা সাপের দংশনের শিকার হন। এতে দেহে জ্বালাপোড়া শুরু হয়ে তিনি অচেতন হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। পরে স্বজনরা জসিমকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে আরএমও ডা. বি এম রাইসুল সাইফ এবং মেডিকেল অফিসার ডা. মেহেরাজ মজুমদারে অধীনে তার চিকিৎসা চলে। টানা দুইদিন অক্লান্ত পরিশ্রম ও ঝুঁকিপূর্ণ চিকিৎসা শেষে জসিম সুস্থ হয়ে ওঠেন।
ডা. মেহেরাজ মজুমদার বলেন, রোগী প্রায় সাড়ে তিন ঘণ্টা অজ্ঞান ছিলেন। তার মুখ দিয়ে ফেনা বের হচ্ছিল এবং পুরো বডি প্যারালাইজড ছিল। তাকে দ্রুত অ্যান্টিভেনম এবং প্রথমবার ১০টি ভায়াল দেয়া হয়। পরে আরো চারটি ভায়ালসহ কিছু ইমার্জেন্সি মেডিসিন ব্যবহার করা হয়। প্রায় সাত ঘণ্টা পর রোগী কিছুটা শঙ্কামুক্ত হন। শুক্রবার দুপুর পর্যন্ত তন্দ্রাচ্ছন্ন ছিলেন। এখন তিনি রোগী সুস্থ আছেন।
উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. মো. সফিকুল ইসলাম রাজীব বলেন, পানিসম্পদ উপমন্ত্রী এ কে এম এনামুল হক শামীমের সরাসরি দিক-নির্দেশনায় নড়িয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সেবার মান অনেক উন্নত হয়েছে। সাপে কাটা রোগীসহ যেকোনো চিকিৎসার জন্য নড়িয়ার মানুষ এ হাসপাতালে আসেন। এ পর্যন্ত আমরা দুইজন সাপে কাটা রোগীকে সুস্থ করতে সক্ষম হয়েছি।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।


