অপরাধ-দুর্নীতি অর্থনীতি-ব্যবসা জাতীয় স্লাইডার

নজরে আসলে মুক্তি পাবেন না : দুদক চেয়ারম্যান

জুমবাংলা ডেস্ক : প্রত্যাশা আর প্রাপ্তির ফাঁরাক অনেক। গেলো ১৫ বছরে যতো মামলার চার্জশিট দিয়েছে দুদক তার বেশিরভাগ টেকেনি শেষ পর্যন্ত। ফলে যাদের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ, তাদের অনেকের মিলেছে দায়মুক্তি। তবে চলতি বছর সে চিত্র বদলেছে অনেকখানি। আগামীতে এই অবস্থার উন্নতি হবে বলে আশা দুদক চেয়ারম্যানের। টিআইবির নির্বাহী পরিচালকের মতে, দুদকের ভাবমূর্তি প্রতিষ্ঠার এখনই সুযোগ।

চলমান ক্যাসিনো বিরোধী অভিযান ঘিরে তোড়জোর বেড়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন-দুদকের কর্মকান্ডে।

আলোচিত নানা দুর্নীতির অভিযোগ অনুসন্ধানে সরকারি আমলা, রাজনীতিবিদ, ব্যবসায়ী একের পর এক জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে দুদক কার্যালয়ে। অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে এখন পর্যন্ত দেড় ডজনের মতো মামলা হয়েছে। গ্রেপ্তার হওয়া প্রভাবশালীদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে রিমান্ডে এনে।

দৃশ্যমাণ তৎপরতা এমন হলেও হিসাবের খাতা বলছে অন্য কথা। কমিশন গঠনের এই ১৫ বছরে যতো চার্জশিট দিয়েছে রাষ্ট্রের দুর্নীতি বিরোধী এই সংস্থা আদালতে দেয়া চূড়ান্ত প্রতিবেদনে এর তিনভাগের দুই ভাগেরই প্রমাণ করতে পারেনি। অর্থাৎ মামলা করার সময়ে অভিযুক্তদের দোষ খুঁজে পেলেও, শেষ পর্যন্ত তা আর টেকে নি।

তদন্তে নিজেদের দুর্বলতার কথা স্বীকারও করলেন দুদক চেয়ারম্যান ইকবাল মাহমুদ। তিনি জানান, এ থেকে উত্তরণের চেষ্টা চলছে। বলেন, দুর্নীতি করে কেউ পার পাবেন না। আগামীতে এমন উদাহরণ সৃষ্টি করতে চায় দুদক। তিনি আরও বলেন, আমাদের বার্তা থাকবে একদমই সহজ, আর তা হচ্ছে যারাই দুর্নীতি করবেন, আমাদের নজরে যদি আসেন আপনি মুক্তি পাবেন না। আপনাকে জবাবদিহির আওতায় আসতে হবে।

দুর্নীতি নিয়ে কাজ করা বেসরকারি সংস্থা ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ-টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ইফতেখারুজ্জামান বলেন, এই কবছরে প্রত্যাশা আর প্রাপ্তির হিসাব মেলাতে ব্যর্থ হয়েছে দুদক। তবে সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রীর দুর্নীতি বিরোধী অবস্থানের পর তাদের কার্যক্রমে আশা দেখছেন তিনি।

তিনি আরও বলেন, দৃষ্টান্তমূলক কিছু নির্দিষ্ট প্রমান দিতে পারে দুদক তাহলে আমি মনে করি জনগণের কাছে এর গ্রহণযোগ্যতা আরও বাড়বে বলে আমি মনে করি।

চলমান শুদ্ধি অভিযান শুরুর পর এখন পর্যন্ত ৪ সংসদ সদস্য, রাজনীতিবিদ আমলাসহ সন্দেহভাজন প্রায় ২শজনের তালিকা করেছে দুদক।



জুমবাংলানিউজ/পিএম




আপনি আরও যা পড়তে পারেন