in

নারীর সঙ্গে ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানের পরিচালকের আপত্তিকর ছবি ভাইরাল

জুমবাংলা ডেস্ক : দেশের একটি বিতর্কিত ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান সিরাজগঞ্জশপ.কম’র পরিচালক মাসুদ পারভেজের এক নারীর সঙ্গে আপত্তিকর ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। এ ঘটনায় সমালোচনার ঝড় উঠেছে। গত কয়েকদিন ধরে ওই নারীর সঙ্গে আপত্তিকর কিছু ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়। এতে সিরাজগঞ্জ জেলাজুড়ে আলোচনা-সমালোচনার ঝড় উঠেছে। এমন অপকর্মে মাসুদ পারভেজের বিরুদ্ধে অতিদ্রুত ব্যবস্থা নিতে আহ্বান জানিয়েছেন বিভিন্ন শ্রেণিপেশার মানুষ।

জানা যায়, শনিবার রাতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ‘সিরাজগঞ্জের খবর’ নামে একটি পেজে জনসাধারণের অর্থলোপাটে অভিযুক্ত ই-কমার্সের পরিচালক মাসুদ পারভেজের সঙ্গে এক নারীর ঘনিষ্ঠ মুহূর্তের একাধিক ছবি প্রকাশিত হয়। সাথে সাথে পোস্টটি ভাইরাল হয়। রোববার সকাল থেকেই বিভিন্ন ব্যক্তিগত অ্যাকাউন্ট ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে গণমাধ্যমকর্মীদের বিভিন্ন গ্রুপে ছবিগুলো প্রকাশ হলে তীব্র সমালোচনার ঝড় ওঠে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রকাশিত ছবিগুলোর কমেন্টস গ্রুপে বিভিন্নজন বিভিন্ন মন্তব্য করেন।

এদিকে ছবি ভাইরালের বিষয়ে সিরাজগঞ্জ শপের পরিচালক তার ফেসবুক পেজে বলেন, তিন মাস আগে আমি সিরাজগঞ্জ শপ ছেড়ে আসি। আর আমাকে হেয় প্রতিপন্ন করার জন্য আমার ছবি নানাভাবে ছড়িয়ে দেয়া হয়েছে। ব্যক্তিজীবনে অধিকাংশ মানুষেরই ভুলত্রুটি থাকে। আমারও আছে।

জানা যায়, সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার বহুলী ইউনিয়নের বেড়াবাড়ি গ্রামের জুয়েল রানা জেলা প্রশাসনের লার্নিং এন্ড আর্নিং প্রজেক্টে প্রশিক্ষণ গ্রহণ শেষে নিজে প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ও মাসুদ পারভেজকে পরিচালক করে গড়ে তোলেন ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান সিরাজগঞ্জশপ.কম। শহরের এম এ মতিন সড়ক ও কাঠেরপুল এলাকায় জাকজমকপূর্ন দুটি অফিস নিয়ে জনবল নিয়োগ দিয়ে চটকদার বিজ্ঞাপন ও বিশাল ছাড়ের অফারের মাধ্যমে শুরু করেন বিনিয়োগ ও অর্ডারের অগ্রিম অর্থ আদায়। অল্প সময়ে কোটিপতি বনে বিলাসী জীবনযাপন শুরু করেন দুজনেই। প্রতিষ্ঠানটি গ্রাহকদের পণ্য দেয়াতো দূরের কথা বরং ৪৭ কোটি ৪৩ লাখ টাকারও বেশি অর্থ আত্মসাৎ করে গা-ঢাকা দিয়েছেন। ইতোমধ্যে সিরাজগঞ্জ শহরের বাহিরগোলা ও এমএ মতিন সড়কে সিরাজগঞ্জ শপ ডটকমের প্রধান ও আঞ্চলিক অফিস দুটি দুই সপ্তাহ ধরে তালাবদ্ধ। এই ঘটনায় মোবাইল ব্যাংকিং সেবা প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে এরই মধ্যে বনানী থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়। মামলা দেওয়ার পর থেকেই তিনি আত্মগোপনে রয়েছেন।