
বৃহস্পতিবার (১৪ মে) সকাল ৯টার দিকে গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়লে বাসা থেকে তাকে হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে কর্তব্যরত ডাক্তার জানান, হাসপাতালে আনার আগেই মারা গেছেন তিনি।
জানা গেছে, ফখরে আলমের মরদেহ এখন তার যশোর শহরের রেলগেট তেঁতুলতলার বাসায় রয়েছে। খবর পেয়ে আত্মীয়-স্বজন, প্রতিবেশী, সহকর্মীরা যাচ্ছেন সেখানে।
এদিন বাদ আছর যশোর জিলাস্কুল মাঠে তার জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। এরপর শহরতলীর চাঁচড়া এলাকার পারিবারিক কবরস্থানে তাকে সমাহিত করা হবে।
মৃত্যুর আগ পর্যন্ত ফখরে আলম দৈনিক কালের কণ্ঠের বিশেষ প্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্বরত ছিলেন। এর আগে তিনি জনকণ্ঠ, ভোরের কাগজ, বাংলাবাজার প্রভৃতি পত্রিকায় কাজ করেছেন। সাংবাদিকতা জীবনে তিনি মোনাজাত উদ্দিন স্মৃতি পুরস্কারসহ বহু পুরস্কার ও সম্মাননা পেয়েছেন। কবি হিসেবেও তার ব্যাপক পরিচিতি ছিল। একসময় যশোর সাহিত্য পরিষদেও সক্রিয় ছিলেন তিনি।
কবিতা, সাংবাদিকতা, মুক্তিযুদ্ধ প্রভৃতি বিষয়ে ফখরে আলম অনেকগুলো বই লিখেছেন। যশোর শহরতলীর চাঁচড়া এলাকার বাসিন্দা তার বাবা ছিলেন পুলিশ কর্মকর্তা।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।



