
সেই একতরফা ফাইনালকে রসিকতা করে ‘ফ্রেন্ডলি ফাইনাল’ বলে অভিহিত করেন অজি আর কিউই সাংবাদিকরা। নিজেদের মধ্যে খানিক রসিকতার সুরে তারা বলেন, ‘আরে! ২০১৫ সালের অস্ট্রেলিয়া আর নিউজিল্যান্ড বিশ্বকাপ ফাইনাল তো ছিল ফ্রেন্ডলি ফাইনাল।’
শুক্রবারও এক ইংলিশ সাংবাদিক খানিক টিপ্পনি কাটলেন। নিউজিল্যান্ড কোচ গ্যারি স্টিডের দিকে প্রশ্ন ছুঁড়ে দেয়া হলো, ‘আচ্ছা এবারও কি স্বাগাতিক ইংল্যান্ডের সাথে ফ্রেন্ডলি ফাইনাল হবে আপনার দলের?’
গ্যারি স্টিডের নরম গলায় কিন্তু চিবুক সোজা করা জবাব, ‘না, না। আমার মনে হয় না এবার এমন হবে। আপনি মাঠে নেমে যদি ১৪০ কিংবা তার বেশি বল মোকাবিলা করেন, সেটা কি আর ফ্রেন্ডলি ক্রিকেট থাকে?’
ফাইনালে কোনো রকম ফ্রেন্ডলি বা প্রীতি ম্যাচের বাতবরণ থাকতে পারে না। থাকার সুযোগ ও সম্ভাবনা নেই। এমনটা জানিয়ে নিউজিল্যান্ড কোচ বলে ওঠেন, ‘আমার মনে হয় না, ফ্রেন্ডলি ফাইনাল হবে। আমার মনে হয় ২২ গজের মধ্যে দু’দলই তীব্র লড়াই করবে।’
প্রতিপক্ষ ইংল্যান্ডকে বেশ সমীহই করছেন নিউজিল্যান্ড কোচ। ফেবারিটও মানছেন। প্রতিপক্ষ সম্পর্কে মূল্যায়ন করতে গিয়ে তাই বলে ওঠেন, ‘দু’দলকেই করনীয় কাজগুলো সঠিকভাবে করতে হবে। ইংলিশরা মাঠে তাদের করনীয় কাজগুলো ঠিক মত করে দেখিয়েই বিশ্ব ক্রিকেটের বড় শক্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। আমার ধারনা তারা ফেবারিট হয়েই ফাইনালে মাঠে নামবে।’
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।



