in

পরবর্তী কার্যক্রম নিয়ে ইভ্যালির জরুরি নোটিশ

জুমবাংলা ডেস্ক: অফিস কার্যক্রম সংক্রান্ত জরুরি নোটিশ দিয়েছে দেশের আলোচিত ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান ইভ্যালি। পরবর্তী নির্দেশনা না দেয়া পর্যন্ত ইভ্যালি এমপ্লয়িগণকে নিজ নিজ বাসা থেকে অফিস কার্যক্রম পরিচালনা করার জন্য বলা হয়েছে। এছাড়া ‘হোম অফিস’ পদ্ধতিতে ইভ্যালির সকল কার্যক্রম স্বাভাবিক নিয়মে চলবে বলে জানিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।

শনিবার (১৮ সেপ্টেম্বর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ তথ্য জানিয়েছে ইভ্যালি।

জুমবাংলার পাঠকদের জন্য তাদের পাঠানো বিজ্ঞপ্তিটি হুবহু নিচে তুলে ধরা হলো।
‘সম্মানিত গ্রাহক এবং সেলার,
আপনাদের জন্যই আমাদের সকল আয়োজন। আর তাই বর্তমান পরিস্থিতি বিবেচনায়, আপনাদের সর্বোচ্চ সেবা দেয়ার লক্ষ্যে, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২১ রোজ শনিবার থেকে পরবর্তী নির্দেশনা না দেয়া পর্যন্ত ইভ্যালি এমপ্লয়িগণ নিজ নিজ বাসা থেকে অফিস কার্যক্রম পরিচালনা করবেন। ‘হোম অফিস’ পদ্ধতিতে ইভ্যালির সকল কার্যক্রম স্বাভাবিক নিয়মে চলমান থাকবে। আপনাদের আন্তরিক সহযোগিতা আমাদের একান্তভাবে কাম্য।
ইভ্যালির উপর আস্থা রাখুন, পাশে থাকুন।
আপনাদের ভালোবাসাই আমাদের সামনে এগিয়ে যাওয়ার প্রেরণা।’

এদিকে গতকাল শুক্রবার (১৭ সেপ্টেম্বর) ইভ্যালির চেয়ারম্যান মো. রাসেল ও তাঁর স্ত্রী প্রতিষ্ঠানের চেয়ারম্যান শামীমা নাসরিনকে তিন দিন করে রিমান্ডে নেওয়ার আদেশ দেন আদালত।

এরপর এদিন রাতে হঠাৎ অসুস্থবোধ করায় মোহাম্মদ রাসেলকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখান থেকে চিকিৎসকের পরামর্শে নেওয়া হয় মিডফোর্ড হাসপাতালে। তবে শারীরিক গুরুতর কোন সমস্যা না থাকায় আবারও তাকে থানায় নেওয়া হয়।
এ বিষয়ে গুলশান থানার ডিউটি অফিসার এএসআই অলিন্দ্র তালুকদার সময় নিউজকে জানান, রাত সাড়ে ৯টার দিকে হঠাৎ অসুস্থবোধ করলে তাকে ঢাকা মেডিকেল পরে সেখান থেকে চিকিৎসকের পরামর্শে মিটফোর্ড হাসপাতালে নেওয়া হয়। এসিডিটির চাপ ছাড়া তার শরীরে তেমন কোনো সমস্যা পাননি চিকিৎসকরা। তাই রাতেই তাকে আবারও থানায় নিয়ে আসা হয়। তবে এখন তিনি ভালো আছেন।
প্রসঙ্গত, গত বৃহস্পতিবার (১৬ সেপ্টেম্বর) বিকেলে ইভ্যালির প্রতিষ্ঠাতা সিইও রাসেল ও তার স্ত্রী চেয়ারম্যান শামীমা নাসরিনকে গ্রেপ্তার করে র‌্যাব।

২০১৬ সালে প্রথমে অনলাইনে ডায়াপার বিক্রি দিয়ে যাত্রা শুরু করেন রাসেল। ২০১৭ সালে এই ব্যবসা করতে গিয়ে বড় একটি অনলাইন প্লাটফর্মের কথা চিন্তা করেন তিনি। সেই চিন্তা থেকেই প্রতিষ্ঠা করেন দেশীয় ই-কমার্স কোম্পানি ‘ইভ্যালি’। প্রায় ১৭ লাখ নিয়মিত ক্রেতা, ২০ হাজারের বেশি বিক্রেতা নিয়ে বাংলাদেশের ই-কমার্স খাতে স্বল্প সময়ে প্রথম সারিতে উঠে আসে ‘ইভ্যালি’।