পাঁচ কারণে মুনিয়ার ওপর ক্ষুব্ধ ছিলেন নুসরাত

জুমবাংলা ডেস্ক : মুনিয়ার মৃত্যুর আগে সব থেকে আলোচিত বিষয় ছিল নুসরাতের সঙ্গে মুনিয়ার দ্বন্দ্ব। এই দ্বন্দ্বের কারণেই মুনিয়া আত্মহত্যা করেছে নাকি তাকে হত্যা করা হয়েছে? এটিই এখন তদন্তের মূল বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে।

বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে, ৫ কারণে মৃত্যুর আগে মুনিয়ার সঙ্গে নুসরাতের বিরোধ চরমে ওঠে।

এই কারণগুলো হলো :

নুসরাতের অনৈতিক ব্যবহারের প্রতিবাদ

মুনিয়াকে টাকা বানানোর মেশিনে পরিণত করেছিলেন নুসরাত। নুসরাত মুনিয়াকে বিভিন্ন ধনাঢ্য ব্যক্তির কাছে পাঠাতেন। এর বিনিময়ে মোটা অঙ্কের টাকা নিতেন নুসরাত। একটা সময় মুনিয়া এসবে বিরক্ত এবং ক্লান্ত হয়ে পড়েন। এসব থেকে মুনিয়া মুক্তি চান। কিন্তু নুসরাত মুনিয়াকে তখন টাকার মেশিন বানিয়ে ফেলছে। কাজেই মুনিয়াকে শেষ দিকে হুমকি দেওয়া শুরু করেন নুসরাত।

শারুনের সঙ্গে বিয়ে

মুনিয়া চেয়েছিলেন শারুনকে বিয়ে করে ঘর-সংসার করবেন। এই আকুতি মুনিয়ার ডায়েরিতে পাওয়া যায়। কিন্তু শারুন মুনিয়াকে শুধু ভোগ করতে চেয়েছিলেন, বিয়ে নয়। এজন্য শারুন নুসরাতের শরণাপন্ন হয়। নুসরাতও চাননি মুনিয়া শারুনকে বিয়ে করুক। এতে তার আয়-উপাজর্নের পথ বন্ধ হয়ে যাবে। এ নিয়ে দুজনের মধ্যে দ্বন্দ্ব।

মুনিয়াকে ব্লাকমেইল

মুনিয়া যখন নুসরাতের কথা শুনছিলেন না তখন মুনিয়াকে ব্লাকমেইল শুরু করেন নুসরাত। নুসরাত মুনিয়ার নানা অন্তরঙ্গ ছবি তুলে রাখেন। এগুলো ফাঁস করে দেওয়ার হুমকি দেন। এটি নিয়েও হতাশ হয়েছিলেন মুনিয়া।

টাকা পয়সার বিরোধ

বিভিন্ন ধনাঢ্য ব্যক্তির সঙ্গে সময় কাটিয়ে টাকা উপার্জন করতেন মুনিয়া, কিন্তু ভোগ করতেন নুসরাত। এক সময় মুনিয়া টাকার হিসাব চান। এনিয়ে গুলশানের ফ্ল্যাটের মালিকের স্ত্রীর কাছে নুসরাত অভিযোগ করেন, মুনিয়া হাতের বাইরে চলে যাচ্ছে।

পৈতৃক সম্পত্তি নিয়ে ভাগবাটোয়ারা

মুনিয়া, নুসরাত এবং সবুজের পৈতৃক সম্পত্তি নিয়ে বিরোধ আদালত পর্যন্ত গড়িয়েছিল। এক সময় মুনিয়া ছিলেন নুসরাতের পক্ষে। কিন্তু আস্তে আস্তে মুনিয়া নুসরাতের লোভ বুঝতে পারেন। মুনিয়া সবুজের দিকে ঝুঁকতেই নুসরাত মুনিয়ার ওপর ক্ষুব্ধ হলো।

মূলত এই পাঁচ কারণেই মুনিয়ার মৃত্যুর জন্য নুসরাতই দায়ী বলে মনে করা হচ্ছে।

আজকের জনপ্রিয়:
>> আয়ু কমে যাওয়ার ৭ কারণ
>> সন্তানদের যে আমলের অভ্যাস করানো জরুরি
>> ছেলেদের যে বিষয়গুলো মেয়েরা সবার আগে খেয়াল করে


Share:





জুমবাংলানিউজ/এসআর