বাংলাদেশের পরিবর্তে স্কটল্যান্ডকে বিশ্বকাপে খেলার সুযোগ দেওয়ার ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছে পাকিস্তান। বিশ্বকাপ পুরোপুরি বয়কট না করলেও, বাংলাদেশের প্রতি সংহতি জানিয়ে ভারতের বিপক্ষে ম্যাচ না খেলার সিদ্ধান্ত জানিয়েছে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি)। এই সিদ্ধান্তের ফলে পাকিস্তান শাস্তির মুখে পড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। তবে পাকিস্তান শাস্তির ভয় পায় না বলে মন্তব্য করেছেন দেশটির সাবেক অধিনায়ক রশিদ লতিফ।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম টাইমস অব ইন্ডিয়াকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে রশিদ লতিফ বলেন, সাধারণত পাকিস্তান এমন সিদ্ধান্ত নেয় না।
তিনি বলেন, এই সিদ্ধান্তের বড় ধরনের প্রভাব পড়তে পারে। পাকিস্তান শাস্তিও পেতে পারে। কিন্তু পিসিবি শাস্তির ভয়ে ভীত নয়।
তিনি আরও বলেন, এ বছরই ইংল্যান্ডের মাটিতে নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ অনুষ্ঠিত হবে, যেখানে ভারতের সঙ্গে অংশ নেবে পাকিস্তানের মেয়েরাও। আবার ২০২৮ সালের চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির আয়োজক দেশ ভারত। তাই বোঝা যাচ্ছে, এর প্রভাব এখানেই শেষ হবে না। গভীর চিন্তাভাবনার পরই পিসিবি এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
ভারত-পাকিস্তান ম্যাচের গুরুত্ব তুলে ধরে রশিদ লতিফ বলেন, এটা ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ। এই ম্যাচের আলাদা একটা গুরুত্ব রয়েছে। ক্রিকেটপ্রেমীরা এই দুই দলের খেলা দেখার জন্য মুখিয়ে থাকে। মূলত শতকরা ৬০-৭০ শতাংশ মানুষ ক্রিকেট বিশ্বকাপ দেখে ভারত-পাকিস্তান ম্যাচের কারণে।
এই ঘটনার সূত্রপাত হয় মুস্তাফিজুর রহমানকে আইপিএল থেকে বাদ দেওয়ার মাধ্যমে। নিরাপত্তা শঙ্কার কথা জানিয়ে বাংলাদেশি এই পেসারকে বাদ দেয় ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড (বিসিসিআই)। এর পর একই নিরাপত্তা কারণ দেখিয়ে বিশ্বকাপ খেলতে ভারতে যেতে অস্বীকৃতি জানায় বাংলাদেশ। পরে বাংলাদেশের পরিবর্তে স্কটল্যান্ডকে বিশ্বকাপে অন্তর্ভুক্ত করে আইসিসি।
বাংলাদেশের প্রতি সংহতি জানিয়ে পাকিস্তানের বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ ও ভারতের বিপক্ষে ম্যাচ বয়কটের বিষয়টি গতকাল রোববার (১ জানুয়ারি) নিশ্চিত করে পাকিস্তান সরকার।
এক বিবৃতিতে পাকিস্তান সরকার জানায়, পাকিস্তান ক্রিকেট দলকে আইসিসি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ২০২৬-এ অংশগ্রহণের অনুমতি দেওয়া হয়েছে। তবে ২০২৬ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি ভারতের বিপক্ষে ম্যাচে পাকিস্তান দল মাঠে নামবে না।
এ দিকে পাক মিডিয়া জিও নিউজকে রশিদ লতিফ বলেছেন, বাংলাদেশকে বিশ্বকাপে ফিরিয়ে আনলেই পাকিস্তান ভারতের বিপক্ষে ম্যাচ খেলতে রাজি হয়ে যাবে।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।


