চলছে শীত মৌসুম। এ সময় বাজারে প্রচুর পরিমাণে শাক পাওয়া যায়। আর বাজারে গেলে চোখ পড়ে তাজা পালংশাকে। কয়েক সপ্তাহের পর আর এই শাকের দেখা মিলবে না। তাই শীত থাকতে থাকতে আপনি যত বেশি পালংশাক খেয়ে নিতে পারেন, ততই মঙ্গল, ততই ভালো। কারণ এ শাক পুষ্টিতে ভরপুর। এতে রয়েছে ফাইবার, ভিটামিন সি, এ এবং কে। এ ছাড়া পালংশাকে রয়েছে আয়রনের মতো উপাদান। একাধিক রোগের ঝুঁকি কমিয়ে দেয় পালংশাক। কিন্তু সঠিক উপায়ে না খেলে শাকের কোনো উপকারিতাই থাকে না।

চলুন জেনে নেওয়া যাক, কীভাবে পালংশাক রান্না করে খাবেন—
পালংশাকের মধ্যে অক্সালেট নামক এক ধরনের উপাদান রয়েছে। এই অক্সালেট অনেক সময়েই কিডনির সমস্যা তৈরি করে থাকে। আর শরীরে অক্সালেটের পরিমাণ বেড়ে গেলে কিডনিতে পাথর জমে।
সে জন্য মেপে মেপে পালংশাক খাওয়া যায় না। তার চেয়ে সঠিক উপায়ে পালংশাক খাওয়া উচিত। যাতে পালংশাক থেকে অক্সালেটের পরিমাণ কমে যায় এবং শুধুই উপকারিতাগুলো মেলে। অনেক সময়ে পালংশাক হজম করাও কঠিন হয়ে পড়ে। সঠিক উপায়ে রান্না করলে এ সমস্যাও এড়াতে পারবেন।
পালংশাক কাঁচা খাওয়া চলবে না। ফুটন্ত পানিতে পালংশাক ১ মিনিটের জন্য ডুবিয়ে তুলে নিন। এরপর ওই সিদ্ধ পালংশাক বরফপানিতে ডুবিয়ে রাখুন। এ পদ্ধতিকে ব্লাঞ্চিং বলে থাকে। এতে পালংশাকে থাকা অক্সালেটের পরিমাণ অনায়াসে কমে যাবে। ব্লাঞ্চিং করা পানি ফেলে দেবেন। এরপর ওই পালংশাকের স্মুদি, স্যুপ কিংবা তরকারি বানিয়ে খেতে পারেন। পালংশাকের পাশাপাশি অন্যান্য সবজিও ব্লাঞ্চিং করে খাওয়া যায়। এতে সবজির মধ্যে থাকা টক্সিক পদার্থ বের হয়ে যায়। সবজির সালাদ তৈরির সময়েও এ নিয়ম মানতে পারেন।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।


