
স্থানীয় সিপিজির টিম লিডার লুৎফর রহমান বলেন, সুন্দরবনে আগুন লাগলে বন বিভাগ ও ফায়ার সার্ভিসের পাশাপাশি আমরা আগুন নেভানোর কাজে অংশ নিই। এর আগেও আমরা ১৫-২০ জন সিপিজি সদস্য সুন্দরবনের আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করেছি। আজও আমরা আগুন নেভানোর কাজে অংশ নিয়েছি। আশাকরি খুব দ্রুত আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে পারব।
সুন্দরবন পূর্ব বন বিভাগের শরণখেলা রেঞ্জের শরণখোলা স্টেশন কর্মকর্তা আব্দুল মান্নান বলেন, এলাকাবাসী বনের মধ্যে আগুনের ধোঁয়া দেখে আমাদের খবর দেয়। আমরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছেছি। সিপিজি সদস্য, গ্রামবাসী, বন বিভাগের ভোলা ও ধান সাগর ক্যাম্পের সদস্যদের নিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করছি। আনুমানিক দেড় থেকে দুই একর বন জুড়ে আগুন জলছে। আমরা নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করছি।
স্থানীয় এলাকাবাসী জানান, সুন্দরবনে বার বার আগুন লাগার ঘটনায় আমরা উদ্বিগ্ন। কখনও আগুন লাগার কারণ আমরা জানতে পারি না। আগুন লাগলেই শুনি তদন্ত কমিটি গঠন হয়েছে। ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণও আমরা জানতে পারি না। আবার আগুন লাগার কারণও আমাদের জানানো হয় না। সুন্দরবন আমাদের মায়ের মত সুন্দরবনের ক্ষয়ক্ষতির কারণ আমাদের জানার অধিকার রয়েছে। আমাদের ধারণা বন বিভাগের অসাধু কর্মকর্তাদের যোগসাজগে সুন্দরবনের অভ্যন্তরে আগুন ধরানো হয়।
ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স স্টেশন, বাগেরহাটের উপ-সহকারী পরিচালক গোলাম ছরোয়ার বলেন, সুন্দরবনের আগুন নিয়ন্ত্রণের জন্য শরণখোলা ও মোড়েলগঞ্জ স্টেশনের ২০ জন সদস্য কাজ করছে। ওই এলাকায় ফায়ার লাইন কাটা হয়েছে। পানির উৎস পাওয়া গেছে। আশাকরি অল্প সময়ের মধ্যে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হবে।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।


