in ,

পৌর মেয়রসহ বিএনপির ৩ নেতা কারাগারে


জুমবাংলা ডেস্ক : পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষের মামলায় নওগাঁ পৌরসভার মেয়র নজমুল হক সনিসহ বিএনপির তিন নেতাকে কারাগারে পাঠিয়েছে আদালত। বৃহস্পতিবার দুপুরে বিএনপির এই তিন নেতা আদালতে হাজির হয়ে জামিন আবেদন করলে জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন নওগাঁ চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আশরাফুল ইসলাম।

কারাগারে পাঠানো বিএনপির অপর দুই দুই নেতা হলেন, জেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক জাহিদুল ইসলাম ও নওগাঁ পৌর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক মিজানুর রহমান।

আদালত সূত্রে জানা গেছে, গত ৩০ মার্চ পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষের মামলায় জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি ও নওগাঁ পৌরসভার মেয়র নজমুল হকসহ বিএনপির তিন নেতা হাইকোর্ট থেকে তিন মাস মেয়াদের জামিন নিয়েছিলেন। সেই জামিনের মেয়াদ শেষ হওয়ার পর বৃহস্পতিবার তারা নওগাঁ চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির হয়ে জামিন আবেদন করেন। আদালত আবেদন না মঞ্জুর করে তাদেরকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

আসামি পক্ষের আইনজীবী ও জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক এজেডএম রফিকুল ইসলাম বলেন, মামলার অন্য আসামিরা জামিনে আছেন। আশা করা হচ্ছিল আদালত আজকে এই তিন আসামিকেও জামিন দেবেন। কিন্তু আদালত তাদের জামিন আবেদন নাকচ করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন।

তিনি আরও বলেন, বিএনপি নেতাদের বিরুদ্ধে পুলিশের ওপর হামলার অভিযোগ তুলে যে মামলা করা হয়েছে তা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। এই আদেশের বিরুদ্ধে আমরা উচ্চ আদালতে আবেদন করব। আশা করছি, সেখানে ন্যায় বিচার পাব।

তবে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী আনোয়ার হোসেন বলেন, বিএনপির এই তিন নেতা পুলিশের ওপর হামলা ও ভাঙচুরের মতো মামলার অন্যতম প্রধান আসামি। বিজ্ঞ আদালত তাদের জামিন না দিয়ে সঠিক সিদ্ধান্ত দিয়েছেন।

মামলা সূত্রে জানা গেছে, আসামিদের বিরুদ্ধে সরকারি কাজে বাধা, পুলিশের ওপর হামলা ও সরকারি সম্পত্তিসহ জনসাধারণের জানমালের নিরাপত্তা বিঘ্নিত করার অভিযোগে পুলিশ বাদী হয়ে পৃথক দুটি মামলা করে। দুই মামলায় ৫৭ জনের নাম উল্লেখ ও অজ্ঞাত আরও অনেককে আসামি করা হয়।

চলতি বছরের ৩০ মার্চ নওগাঁ শহরের কেডির মোড়ে বিএনপির নেতা কর্মীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। হেফাজত কর্মী নিহতের ঘটনায় কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে ওই দিন দলীয় কার্যালয়ের সামনে বিক্ষোভ করেন বিএনপি নেতা কর্মীরা। এ সময় পুলিশ ঘটনাস্থলে গেলে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ বাধে। এতে অন্তত ১০ পুলিশ সদস্য ও বিএনপির অর্ধশতাধিক নেতা-কর্মী আহত হন।