অর্থনীতি-ব্যবসা

প্রতি কেজি পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ১৭ টাকায়

জুমবাংলা ডেস্ক : মহামারি করোনার কারণে দেশের সবগুলো স্থলবন্দর দিয়ে ভারত থেকে পেঁয়াজসহ অন্যন্যে পণ্য আমদানি বন্ধ থাকায় দেশের বাজারে বাড়তে থাকে পেঁয়াজের দাম। আর পেঁয়াজ কিনতে এসে বিপাকে পড়তে হতো সাধারণ ক্রেতাদের। তবে এখন সাধারণ ক্রেতাদের মাঝে স্বস্তি ফিরে আসার সময় এসেছে। চলতি সপ্তাহে রেলযোগে ভারত থেকে পেঁয়াজ আমদানি শুরু হওয়ায় ইতিমধ্যে হিলিসহ আশপাশের এলাকায় পেঁয়াজের দাম কমতে শুরু করেছে।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, করোনা পরিস্থিতির কারণে লকডাউনের সময় স্থানীয় বাজারে প্রতি কেজি পেঁয়াজ বিক্রি হয়েছে ৫০ থেকে ৬০ টাকা কেজি দরে। তবে সপ্তাহের ব্যবধানে পেঁয়াজের দাম অনেকটাই সাধারণ ক্রেতাদের হাতের নাগালে আসতে শুরু করেছে। রেলযোগে ভারত থেকে পেঁয়াজ আমদানি শুরুর পর থেকে হিলিতে কমতে শুরু করেছে পেঁয়াজের দাম। দুই দিনের ব্যবধানে কেজিতে ৭ থেকে ৮ টাকা কমে হিলির আড়ৎগুলোতে প্রকারভেদে প্রতিকেজি পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ১৬ থেকে ১৮ টাকা কেজি দরে।


হিলি স্থলবন্দরের পেঁয়াজ আমদানিকারক শহিদুল ইসলাম বলেন, করোনা পরিস্থিতির কারণে স্থলবন্দর দিয়ে আমদানি কার্যক্রম বন্ধ থাকায় ভারত থেকে রেলপথে মালবাহী ট্রেনে করে পেঁয়াজ আমদানি আমরা শুরু করেছি। চলতি সপ্তাহে দুইটি মালবাহী ট্রেনের ৮৪ টি বগিতে ৩ হাজার ৩শ মেট্রিক টন পেঁয়াজ আমদানি হয়েছে। আড়ৎগুলোতে পেঁয়াজের সরবরাহ বেড়ে যাওয়ায় দাম কমতে শুরু করেছে। আজ প্রতিকেজি পেঁয়াজ বিক্রি করছি ১৬ থেকে ১৮ টাকা কেজি দরে। আশা করছি আগামী কোরবানী ঈদে পেঁয়াজের দাম বাড়বে না।

পেঁয়াজ কিনতে আসা কয়েকজন পাইকার বলেন, রেলপথে ভারত থেকে পেঁয়াজ আসা দাম কমতে শুরু করেছে। গত দুই দিনের থেকে কেজিতে ৮ টাকা দাম কমেছে। পেঁয়াজের দাম কমায় আমরা বেশি বেশি পেঁয়াজ কিনছি।আর এসব পেঁয়াজ সরবরাহ করা হচ্ছে ঢাকা, বরিশাল, চট্রগ্রামসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে।


যাদের বাচ্চা আছে, এই এক গেইমে আপনার বাচ্চার লেখাপড়া শুরু এবং শেষ হবে খারাপ গেইমের প্রতি আসক্তিও।ডাউনলোডকরুন : http://bit.ly/2FQWuTP

আরও পড়ুন

সাঈদ চৌধুরীকে ওয়ান ব্যাংকের চেয়ারম্যান পদ থেকে অপসারণ

mdhmajor

অন্য যে উপায়ে পাওয়া যাবে সরকারি টাকা

globalgeek

একনেক সভায় ২৭৪৪ কোটি টাকার ৯ প্রকল্প অনুমোদন

azad

করদাতাদের গোপনীয় তথ্য ভিয়েতনামের হাতে

Shamim Reza

বৈধভাবে আমদানি করা সোনা বিক্রি শুরু

mdhmajor

স্বর্ণের বাজারে ব্যাপক অস্থিরতা

Sabina Sami