
পাপন জানান, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর জেদের কারণে দিল্লি যেতে হয়েছে তাঁর। তবে দিল্লি যাবার শর্তের বিপরীতে প্রধানমন্ত্রীকেও শর্ত দিয়েছিলেন পাপন। সেই শর্ত ছিল প্রধানমন্ত্রীর পুরো ম্যাচ দেখা এবং দোয়া করা।
এ প্রসঙ্গে নাজমুল হাসান পাপন আজ উপস্থিত সাংবাদিকদের বলেন, ‘যাওয়ার কথা ছিলনা, দু’দিন আগে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বললেন যেতেই হবে। আমি বললাম যাবো একটা শর্তে, আপনাকে পুরো খেলা দেখতে হবে কোন মিটিং করা যাবেনা। আর সারাক্ষণ দোয়া করতে হবে। উনি বললেন করবো, আমি তখন বললাম আপনাকে আমি কথা দিচ্ছি জিতায়া আসবো। কেন যেন মনে হল।’
শুধু দিল্লি স্বশরীরে থাকা না, ম্যাচের আগে একাদশ নিয়েও খেলোয়াড়দের সাথে দফায় দফায় মিটিং করেছিল পাপন। টাইগারদের একাদশ বেশ শক্তিশালী মনে হয়েছে সভাপতির কাছে।
প্রথম ম্যাচের ভেন্যু দিল্লী পৌঁছেই দলের সাথে মিটিংয়ে বসে উল্লেখ করে পাপন যোগ করেন, ‘এরপর রাত্রে বেলা গিয়ে টিমের সাথে বসলাম, সবার সাথে আলাদাভাবে কথা বললাম। পরদিন সকালে আবার ৪-৫ জনকে নিয়ে বসলাম, আলাদা করে। একটা জিনিস বুঝলাম কম্বিনেশনটা ভালো, স্কোয়াড যখন হাতে নিলাম একাদশ কেমন হবে। এক এক করে দেখলাম আমার কাছে মনে হল কম্বিনেশনটা বেশ ভালো। ওটাই আমি তাদের সাথে কথা বলেছি যে আমাদের কম্বিনেশনটা বেশ শক্তিশালী।’
তবে সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচে থাকতে পারছেন না বিসিবি বস। রাজকোটে সিরিজ নির্ধারনী ম্যাচে তাই মাহামুদউল্লাহ্দের খেলতে হবে পাপনকে ছাড়াই।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।



