
আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, এটি আজ সকাল ছয়টায় চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর থেকে ১২৯৫ কিলোমিটার দক্ষিণ-দক্ষিণ পশ্চিমে, কক্সবাজার সমুদ্রবন্দর থেকে ১২২০ কিলোমিটার দক্ষিণ-দক্ষিণ পশ্চিমে, মোংলা সমুদ্রবন্দর থেকে ১২৬৫ কিলোমিটার দক্ষিণ-দক্ষিণপশ্চিমে এবং পায়রা সমুদ্রবন্দর থেকে ১২২৫ কিলোমিটার দক্ষিণ-দক্ষিণ পশ্চিমে অবস্থান করছিল।
ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্রের ৫৪ কিলোমিটারের মধ্যে বাতাসের একটানা সর্বোচ্চ গতিবেগ ঘণ্টায় ৬২ কিলোমিটার। এটি দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়ার আকারে ৮৮ কিলোমিটার পর্যন্ত বৃদ্ধি পাচ্ছে। ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্রের কাছাকাছি এলাকায় সাগর বিক্ষুব্ধ রয়েছে।
মোখা ‘প্রবল ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিতে পারে’ বলে ধারণা করছেন আবহাওবিদরা। এছাড়া ঘূর্ণিঝড়টি টেকনাফ এবং মিয়ানমারের উপকূলে আঘাত হানবে বলে ধারণা করছেন বিশেষজ্ঞরা।
আবহাওয়া অধিদপ্তরের পরিচালক মোহাম্মদ আজিজুর রহমান আজ এক সংবাদ সম্মেলনে বলেছেন, ‘এখন যেভাবে ধাবিত হচ্ছে তা বাংলাদেশের খুলনা এবং ভারতে উড়িষ্যার দিকে। আগামীকাল ১২ মে সকাল নাগাদ উত্তর-উত্তরপূর্ব দিকে ঘুরবে। তখন এটা মিয়ানমার ও কক্সবাজার উপকূলের দিকে ধাবিত হব।’
তিনি আরও বলেন, সিম্পল সাইক্লোন হলে প্রতিঘণ্টায় গতিবেগ থাকে ৬২-৮৮ কিলোমিটার। যখন সেটা সিভিয়ার সাইক্লোন হবে তখন প্রতিঘণ্টায় বাতাসের গতিবেগ হবে ৮৯-১১৮ কিলোমিটার। আর ভেরি সিভিয়ার সাইক্লোন স্টর্ম হলে প্রতিঘণ্টায় ১১৯ থেকে তার উপরে হবে বাতাসের গতিবেগ। এখনও পর্যন্ত আমরা ধারণা করছি এটা ‘ভেরি সিভিয়ার সাইক্লোন স্টর্ম’। তারপরের স্টেজটা হলে আমরা বলি সুপার সাইক্লোন।
যে গতিতে এখন ঘূর্ণিঝড়টি এগুচ্ছে সেই গতি বলবৎ থাকলে ১৪ মে এটি আঘাত হানবে বলে মনে করছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।
এই মুহূর্তে ঘূর্ণিঝড়ের যে তীব্রতা সেটা প্রতিঘণ্টায় ৮ কিলোমিটার গতিতে এক স্থান থেকে অন্য স্থানে যাচ্ছে। আর এর বাতাসের যে গতিবেগ তা ৬২-৮৮ কিলোমিটার পর্যন্ত বৃদ্ধি পাচ্ছে।
ঘূর্ণিঝড়ের অন্তত অর্ধেক বডি অর্থাৎ ৫০ শতাংশ বাংলাদেশের উপকূলের উপরে থাকবে এবং কক্সবাজার, চট্টগ্রাম, নোয়াখালী এসমস্ত জেলাগুলোর উপর ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবটা পড়বে বলে সংবাদ সম্মেলনে জানান আজিজুর রহমান।
এর আগে বুধবার ঘূর্ণিঝড়ের পরিস্থিতি নিয়ে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী মো. এনামুর রহমান এক সংবাদ সম্মেলনে বলেছিলেন, ‘ঘূর্ণিঝড় মোখা হতে পারে সুপার সাইক্লোন। আমরা এটির মোকাবিলায় সব ধরনের প্রস্তুতি নিয়েছি।’
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।



