
তিনি মরহুমের বিদেহ আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং তাঁর শোকসন্তপ্ত পরিবার ও গুণগ্রাহীদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
ভূমিমন্ত্রী তাঁর মরহুম পিতা আখতারুজ্জামান চৌধুরী বাবু এবং তাঁর নিজের সাথে ব্যারিস্টার রফিক-উল হকের অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ ও বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের কথা স্মরণ করে আজ এক শোক বার্তায় বলেন, ‘দেশের বিভিন্ন সংকটময় মুহূর্তে গণতন্ত্র ও সুশাসন প্রতিষ্ঠায় এবং বিচার বিভাগের স্বাধীনতা ও ভাবমূর্তি রক্ষায় আইনজ্ঞ হিসেবে ব্যারিস্টার রফিক-উল হকের ভূমিকা চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে।’
সাইফুজ্জামান চৌধুরী আরও বলেন, ‘ব্যারিস্টার রফিক-উল হক অত্যন্ত নিষ্ঠা ও দক্ষতার সাথে বাংলাদেশ সরকারের প্রধান আইন পরামর্শক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। আইন পেশায় বর্ণাঢ্য জীবনের অধিকারী এ ব্যক্তিত্ব মানব কল্যাণ ও সমাজসেবায় জড়িত থাকার কারণে একজন মানবতাবাদী আইনজ্ঞ হিসেবে জাতি তাঁকে শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করবে।’
ব্যারিস্টার রফিক-উল হক আজ সকালে রাজধানীর আদ দ্বীন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইন্তেকাল করেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিলো ৮৫ বছর।
প্রখ্যাত আইনজীবী ব্যারিস্টার রফিক-উল হক ১৯৩৫ সালের ২ নভেম্বর কলকাতার সুবর্ণপুর গ্রামে জন্ম গ্রহণ করেন। তিনি ১৯৯০ সালের ৭ এপ্রিল থেকে একই বছরের ১৭ ডিসেম্বর পর্যন্ত দেশের প্রধান আইন কর্মকর্তা অ্যাটর্নি জেনারেল ছিলেন। তিনি ছিলেন রাষ্ট্রের ষষ্ঠ অ্যাটর্নি জেনারেল।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।



