Advertisement

জুমবাংলা ডেস্ক : প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান ও সহকারী শিক্ষকদের বেতন বৈষম্য দূর করার প্রস্তাব নাকচ করেছে অর্থ মন্ত্রণালয়। তবে হাল ছাড়েনি প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। আগামী ২০ সেপ্টেম্বরের পর এ নিয়ে অর্থ মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে পুনরায় বৈঠকে বসার কথা রয়েছে। প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আকরাম আল হোসেন এ তথ্য জানিয়েছেন।

প্রধান ও সহকারী শিক্ষকদের বেতন বৃদ্ধির একটি প্রস্তাব গত ২৯ জুলাই প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে অর্থ মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়। কিন্তু গত ৮ সেপ্টেম্বর ফিরতি চিঠিতে অর্থ মন্ত্রণালয় ওই প্রস্তাবের জবাব দিয়েছে। এতে বলা হয়, প্রধান ও সহকারী শিক্ষকদের বেতন গ্রেড যথাযথ ও সঠিক আছে। তাই প্রধান শিক্ষকদের বেতন গ্রেড-১০ এবং সহকারীদের গ্রেড-১২ করার কোনো সুযোগ নেই।

জানা গেছে, প্রস্তাবে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ও প্রশিক্ষণবিহীন একই ধরনের ক্যাটাগরি বাতিল করে সব ধরনের প্রধান শিক্ষককে গ্রেড-১০ আর সহকারী শিক্ষকদের গ্রেড-১২ দেয়ার প্রস্তাব করা হয়। এ প্রস্তাব অনুযায়ী প্রধান শিক্ষকরা ১৬ হাজার এবং সহকারী ১১ হাজার ৩০০ টাকা স্কেলে বেতনভাতা পাবেন।

২০১৪ সালের ৯ মার্চ পর্যন্ত প্রধান শিক্ষকরা ১৩ ও ১৪তম এবং সহকারী শিক্ষকরা ১৫ ও ১৬তম গ্রেডে বেতন পেতেন। উল্লিখিত মর্যাদা দেয়ার পর প্রধান শিক্ষকরা ১১ ও ১২তম এবং সহকারীরা নতুন করে ১৪ ও ১৫তম গ্রেডে বেতনভাতা পাচ্ছেন। কিন্তু তাতেও খুশি নন প্রাথমিকের শিক্ষকরা। বেতনভাতা বাড়ানোর পর থেকেই শিক্ষকরা দাবি নিয়ে মাঠে সক্রিয় আছে।

সংশ্লিষ্টরা জানান, এ কারণেই শিক্ষকদের বেতনভাতা বৃদ্ধির বিষয়টি বিগত সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের নির্বাচনী ইশতেহারে যুক্ত করে। মূলত ইশতেহারের অঙ্গীকার পূরণের লক্ষ্যেই বেতন বৈষম্য দূর করার প্রস্তাব করা হয়।

এছাড়া এসডিজি অর্জন, সর্বশেষ নীতিমালায় অনুযায়ী স্নাতকধারী শিক্ষক নিয়োগের বিষয়টি নিশ্চিতে বেতন বাড়ানো দরকার বলে মন্ত্রণালয়ের প্রস্তাবে উল্লেখ করা হয়। বেতন বৈষম্যের পক্ষে ওই প্রস্তাবে মোট ১১টি দিক উল্লেখ করা হয়েছে। এর মধ্যে একটি হচ্ছে, প্রশিক্ষণ।

এ ব্যাপারে বলা হয়, সব শিক্ষককে প্রশিক্ষণ দিতে না পারার ব্যর্থতা সরকারের। কেননা, সারা দেশের পিটিআইতে প্রতিবছর প্রশিক্ষণ দেয়া যায় ১৫ হাজার শিক্ষককে। আর প্রশিক্ষণ বিহীন আছেন ৭০ হাজার। বাকিদের প্রশিক্ষণের জন্য অপেক্ষা করলে বেতন বৈষম্যের শিকার হতে হবে দীর্ঘদিন। তাই প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত আর প্রশিক্ষণবিহীন হিসেবে বিভাজন না করে সবার জন্য একই স্কেল নির্ধারণ করা দরকার। এতে প্রধান শিক্ষকদের বেতন স্কেল গ্রেড-১০ করার পক্ষে যুক্তি তুলে ধরা হয়েছে।

যদিও ২০১৭ সালের নভেম্বরে প্রধান শিক্ষকদের গ্রেড (গ্রেড-১১) উন্নীতকালে বলা হয়েছিল যে, গ্রেড-১০ দ্বিতীয় শ্রেণির গেজেটেড কর্মকর্তাদের স্কেল। তাই তাদেরকে সেটি দেয়া যাবে না।

এতে সহকারী শিক্ষকদের বেতন স্কেল বাড়ানোর পক্ষে যুক্তি দিয়ে বলা হয়, ২০০৯ সালে প্রধান শিক্ষক ও সহকারী শিক্ষকদের অনুপাত ছিল ১:৩। বর্তমানে তা হয়েছে ১:৬। সহকারী থেকে প্রধান শিক্ষক পদে পদোন্নতির হার আগের চেয়ে অনেক কমেছে। তাই দীর্ঘদিন সহকারী শিক্ষকদের একই স্কেলে কাজ করতে হয়। বেতনভাতা না বাড়ালে হতাশা তৈরি হবে।

Zoom Bangla News
Zoom Bangla News
inews.zoombangla.com
Follow

Follow Zoom Bangla News On Google

Open the Google follow page and tap the checkmark option to receive more updates from Zoom Bangla News in your Google news feed.

Follow Zoom Bangla News On Google

Shamim Reza is an experienced journalist and sub-editor at Zoom Bangla News, with over 13 years of professional experience in the field of journalism. Known for his strong writing skills and editorial insight, he contributes to producing accurate, engaging, and well-structured news content. Born and brought up in Jashore, his background and experience shape his deep understanding of social and regional perspectives in news reporting.