ভারতের আসামে সুখোই-৩০ যুদ্ধবিমান বিধ্বস্তের ঘটনা ঘটেছে। এতে বিমানে থাকা ২ পাইলট নিহত হয়েছেন।

বৃহস্পতিবার (৬ মার্চ) সন্ধ্যায় আসামের জোরহাট বিমানঘাঁটি থেকে উড্ডয়নের পর গ্রাউন্ড কন্ট্রোলের সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছিল সুখোই-৩০ এমকেআই বিমানটির। পরে আসামের কার্বি আংলং জেলায় বিধ্বস্ত হয়। খবর দ্য হিন্দুস্তান টাইমস
নিহত দুই পাইলট হলেন—স্কোয়াড্রন লিডার অনুজ এবং ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট পূর্বেশ দুর্গাকর।
মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করে ভারতীয় বিমান বাহিনী (আইএএফ) জানিয়েছে, দুর্ঘটনায় উভয় কর্মকর্তাই মারাত্মকভাবে আহত হয়েছিলেন এবং পরে মারা যান।
এক বিবৃতিতে ভারতীয় বিমানবাহিনী বলেছে, ‘সুখোই-৩০ দুর্ঘটনায় স্কোয়াড্রন লিডার অনুজ এবং ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট পূর্বেশ দুর্গাকরের মৃত্যুতে আইএএফ শোক প্রকাশ করছে। বিমানবাহিনীর সকল সদস্য তাদের মৃত্যুতে গভীর সমবেদনা জানাচ্ছেন এবং এই শোকের সময়ে শোকসন্তপ্ত পরিবারের পাশে দৃঢ়ভাবে দাঁড়িয়েছেন।’
প্রতিরক্ষা কর্মকর্তাদের মতে, রাশিয়ার তৈরি এই যুদ্ধবিমানটির সঙ্গে সন্ধ্যা ৭টা ৪২ মিনিটে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। এরপর জোরহাট থেকে প্রায় ৬০ কিলোমিটার দূরে কার্বি আংলং জেলায় বিমানটি বিধ্বস্ত হয়।
এর আগে জানানো হয়েছিল, উড্ডয়নের কিছু সময় পরেই বিমানটি নিখোঁজ হয়ে যায়, যার ফলে পাইলট ও বিমানটি উদ্ধারে তল্লাশি অভিযান শুরু করা হয়েছিল।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, সন্ধ্যা ৭টার দিকে কার্বি আংলংয়ের নীলিপ ব্লকের কাছে একটি দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় বিকট বিস্ফোরণের মতো শব্দ শোনা গেছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দুর্ঘটনাস্থলের কিছু ছবিও ছড়িয়ে পড়েছে।
সুখোই-৩০ এমকেআই হলো একটি দুই আসনবিশিষ্ট মাল্টিরোল লং-রেঞ্জ ফাইটার জেট, যা রাশিয়ান সংস্থা সুখোই ভারতের হিন্দুস্তান অ্যারোনটিক্স লিমিটেড লাইসেন্সের অধীনে এটি তৈরি করে।
আরও পড়ুনঃ ইরানের পরবর্তী নেতা নির্বাচনে আমাকে অবশ্যই জড়িত থাকতে হবে: ট্রাম্প
বর্তমানে ভারতীয় বিমানবাহিনী ২৬০টিরও বেশি সুখোই-৩০ এমকেআই বিমান পরিচালনা করে। এর আগে ২০২৪ সালের জুনে মহারাষ্ট্রের নাসিক জেলায় এবং ২০২৩ সালের জানুয়ারিতে গোয়ালিয়র বিমানঘাঁটি থেকে উড্ডয়নের পর এই মডেলের বিমান দুর্ঘটনার কবলে পড়েছিল।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।


