in

ফের রিমান্ডে কিউকমের সিইও রিপন মিয়া ও আরজে নিরব

জুমবাংলা ডেস্ক : রাজধানীর লালবাগ থানায় ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের মামলায় ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান কিউকমের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) রিপন মিয়া ও হুমায়ুন কবিরের (আরজে নিরব) বিভিন্ন মেয়াদের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।

সোমবার (১৮ অক্টোবর) বিকেলে শুনানি শেষে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মাসুদ উর রশিদ আদালত এই রিমান্ডের আদেশ দেন।

এর আগে লালবাগ থানার পুলিশ আসামিদের আদালতে হাজির করে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের মামলায় প্রত্যেকের পাঁচ দিনের রিমান্ডের আদেশ করেন। আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বিচারক রিপন মিয়ার দুইদিন এবং আরজে নিরবের একদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

প্রতারণার অভিযোগে মামলায় রাজধানী থেকে গত ৩ অক্টোবর রিপন মিয়াকে গ্রেফতার করা হয়। পরদিন পল্টন থানায় দায়ের করা ডিজিটার নিরাপত্তা আইনের মামলায় এ আসামির দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত। এরপর প্রতারণার মামলায় একদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

গত ৮ অক্টোবর ভোরে রাজধানীর আদাবর এলাকা থেকে আরজে নিরবকে গ্রেফতার করা হয়। এরপর প্রতারণার এক মামলায় নিরবের এক দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত।

জানা যায়, কিউকম প্রায় লক্ষাধিক পণ্য অনলাইনে বিক্রি করে। ক্রেতাকে আকৃষ্ট করার জন্য তারা বিজয় আওয়ার, স্বাধীনতা আওয়ার, বিগ বিলিয়ন নামে দুই থেকে ১৫ দিন সময় দিয়ে অনেক কম দামে মোটরসাইকেল অফার করতো। ১ লাখ ৬৭ হাজার টাকার মোটরসাইকেল ১ লাখ ২০ হাজার টাকা পাওয়ার অফার পেয়ে ক্রেতারা নগদ টাকা পরিশোধের মাধ্যমে মোটরসাইকেল অর্ডার করতো। কিন্তু সময়মতো পণ্য সরবরাহ না করায় সব ক্রেতা হতাশ হয়ে কিউকমে যোগাযোগ করে। কিউকম লাভের টাকা ফেরত নেওয়ার অফার করলে তারা লোভে পড়ে। লাভের অংশ থেকে ১০ শতাংশ বা ২০ শতাংশ কমে টাকার চেক গ্রহণ করে।

এই নিয়ম অনুযায়ী গ্রাহকের পেমেন্টটি ফোস্টারের কাছে থাকবে, পণ্য ডেলিভারি পর পেমেন্ট প্রতিষ্ঠানের কাছে পাঠাবে ফোস্টার। কিউকমের পণ্য ডেলিভারি না দিয়ে চেক দেওয়ার বিষয়টি ফোস্টারের নজরে আসে। পরে ফোস্টার কিউকমের সব পেমেন্ট আটকিয়ে দেয়। ফোস্টার এখন পর্যন্ত কিউকমের ৩৯৭ কোটি টাকা মোটরসাইকেলের পেমেন্ট আটক করেছে। এছাড়া তার কাছে গ্রাহকদের পণ্য ডেলিভারির ২৫০ কোটি টাকা আটকে আছে।

ওই ঘটনায় আসামিদের বিরুদ্ধে একাধিক থানায় প্রতারণার অভিযোগে মামলা দায়ের করা হয়েছে।