Views: 194

বরিশাল বিভাগীয় সংবাদ

বরগুনা কারাগারে একমাত্র নারী আসামি মিন্নি

জুমবাংলা ডেস্ক : বরগুনার আলোচিত শাহনেওয়াজ রিফাত (রিফাত শরীফ) হত্যা মামলার ফাঁসির দণ্ডাদেশ পাওয়া নিহত রিফাতের স্ত্রী আয়শা সিদ্দিকা মিন্নিই বরগুনা জেলা কারাগারের ‘কনডেম সেল’-এর একমাত্র নারী আসামি। এছাড়াও ফাঁসির দণ্ডাদেশ পাওয়া অন্য পুরুষ আসামিদেরও পুরুষ ওয়ার্ডের কনডেম সেলে রাখা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বরগুনা জেলা কারাগারের জেল সুপার মো. আনোয়ার হোসেন। কারাবিধি অনুযায়ী ছয় বন্দিকেই কনডেম সেলে থালা, বাটি ও কম্বল দেওয়া হয়েছে। এছাড়াও প্রতি আসামিকে কারাগারের পক্ষ থেকে দুই সেট পোশাক দেওয়া হয়েছে বলেও জানান জেল কর্তৃপক্ষ।

বরগুনা জেলা কারাগারের সুপার মো. আনোয়ার হোসেন বলেন, ‘এই মুহূর্তে বরগুনা জেলা কারাগারে নারী বন্দিদের মধ্যে একমাত্র মিন্নিই কনডেম সেলে আছেন। মিন্নি ব্যতীত বরগুনা কারাগারের কনডেম সেলে অন্য কোনও নারী বন্দি নেই। এছাড়াও রিফাত হত্যা মামলার অপর পাঁচজন পুরুষ আসামিকেও কনডেম সেলে রাখা হয়েছে। এই পাঁচ পুরুষ বন্দি ব্যতীত বরগুনার কারাগারের কনডেম সেলে আর অন্য কোনও পুরুষ বন্দিও নেই।’

তিনি বলেন, ‘মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিদের কারাগারের যে বিশেষ কক্ষে রাখা হয় সেটাকে কনডেম সেল বলা হয়। কনডেম সেলের বন্দিরা কখনও সেল থেকে বাইরে বের হতে পারেন না। এসব বন্দি মাসে একবার তার স্বজনদের সঙ্গে দেখা করতে পারেন। এছাড়াও সপ্তাহে একবার তারা ফোনে তাদের স্বজনদের সঙ্গে একটি নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত কথা বলতে পারেন।’

তিনি আরও বলেন, মিন্নিকে আজ সকালে খাবার হিসেবে রুটি ও চিনি দেওয়া হয়েছিল। দুপুরের খাবারে ভাত, সবজি ও ডাল দেওয়া হয়েছে। রাতে গরুর মাংস, ভাত ও ডাল দেওয়া হবে বলেও তিনি জানান।


গত বছরের ২৬ জুন সকালে বরগুনা সরকারি কলেজের সামনে বন্ড বাহিনী কুপিয়ে হত্যা করে রিফাত শরীফকে। ওই হত্যাকাণ্ড সারা দেশকে নাড়িয়ে দিয়েছিল। বন্ড বাহিনীর হোতা নয়ন বন্ড ও অন্যরা প্রকাশ্যে রাম দা দিয়ে শাহনেওয়াজ রিফাতকে (রিফাত শরীফ) কুপিয়ে গুরুতর জখম করে। এসময় মিন্নিকে আসামিদের রামদার মাঝখানে দাঁড়িয়ে বারেবারে আটকানোর চেষ্টা করতে দেখা যায়। চিকিৎসাধীন অবস্থায় ওই দিন বিকেলেই বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মৃত্যুবরণ করেন রিফাত শরীফ।

ঘটনার পরদিন ২৭ জুন রিফাতের বাবা মো. আবদুল হালিম দুলাল শরীফ বাদী হয়ে ১২ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত আরও ৫-৬ জনের বিরুদ্ধে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। এরপর পুলিশ একে একে গ্রেফতার করে এজাহারভুক্ত আসামিদের। রিফাতের ওপর হামলার ছয়দিন পর ২ জুলাই ভোর রাতে পুলিশের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে নিহত হন এ মামলার আলোচিত প্রধান আসামি সাব্বির আহমেদ নয়ন ওরফে নয়ন বন্ড। পরে ভিডিও, অডিওসহ বিভিন্ন ডক্যুমেন্ট ও সাক্ষ্যের মাধ্যমে এ মামলার সাক্ষী মিন্নিকে হত্যার ঘটনার মূল পরিকল্পনাকারী হিসেবে অভিহিত করা হয়। সাক্ষী থেকে আসামি হয়ে যান মিন্নি।

রিফাত হত্যাকাণ্ডের দুই মাস ছয়দিন পর গত বছরের ১ সেপ্টেম্বর বিকেলে বরগুনার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে ২৪ জনকে অভিযুক্ত করে প্রাপ্তবয়স্ক এবং অপ্রাপ্তবয়স্ক দুই ভাগে বিভক্ত করে দুটি তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করে পুলিশ। এদের মধ্যে ১০জন প্রাপ্তবয়স্ক আসামি এবং ১৪ জন অপ্রাপ্তবয়স্ক।

প্রাপ্তবয়স্ক আসামিদের বিচারিক কার্যক্রম শুরুর জন্য ২০২০ সালের ১ জানুয়ারি বরগুনার জেলা ও দায়রা জজ আদালত চার্জ গঠন করেন। গত ৮ জানুয়ারি থেকে প্রাপ্তবয়স্ক ১০ আসামির বিরুদ্ধে সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু করে গত ২৫ ফেব্রুয়ারি এ মামলার ৭৬ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ সম্পন্ন হয়। গত ১৬ সেপ্টেম্বর উভয়পক্ষের যুক্তি-তর্ক শেষ হয়। ৩০ সেপ্টেম্বর মিন্নিসহ ৬ আসামিকে মৃত্যুদণ্ডাদেশ দেন বরগুনা জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. আছাদুজ্জামান।


যাদের বাচ্চা আছে, এই এক গেইমে আপনার বাচ্চার লেখাপড়া শুরু এবং শেষ হবে খারাপ গেইমের প্রতি আসক্তিও।ডাউনলোডকরুন : https://play.google.com/store/apps/details?id=com.zoombox.kidschool



আরও পড়ুন

বেগমগঞ্জে গৃহবধূকে বিবস্ত্র করে নির্যাতনের ঘটনায় স্বামীও জড়িত : তদন্ত প্রতিদেন

Shamim Reza

স্কুলে ভর্তি হওয়া হল না শিশু আরিয়ানের

Shamim Reza

কোরআন শরীফ অবমাননা, লালমনিরহাটে যুবককে পুড়িয়ে হত্যা

Shamim Reza

ফ্রান্সবিরোধী বিক্ষোভে উত্তাল কিশোরগঞ্জ

Saiful Islam

স্ত্রীসহ বনদস্যু আটক, অস্ত্র ও গুলি উদ্ধার

Saiful Islam

শালমারা ইউনিয়নের নতুন চেয়ারম্যান হলেন নাহিদা আক্তার রুমা

mdhmajor