বাংলাদেশের বাঁধন এখন কলকাতার চোখের মণি

বিনোদন ডেস্ক: মুসকান জুবেরী, কে তিনি? বৃহস্পতিবার প্রকাশিত হল পরিচালক সৃজিত মুখোপাধ্যায়ের রহস্য সিরিজ ‘রবীন্দ্রনাথ এখানে কখনও খেতে  আসেন নি’র টিজার। তাই দেখেই চমকে উঠেছেন দর্শক। সবথেকে বেশি আগ্রহ জেগেছে মুসকান জুবেরী, ছবির কেন্দ্রীয় চরিত্রকে দেখে। কে এই অভিনেত্রী?  আসুন দেখা যাক।

বাংলাদেশ থেকে এই প্রথম ভারতে অভিনয় করতে এলেন আজমেরি হক বাঁধন। পরিচালক সৃজিত মুখোপাধ্যায়ের কাজ দেখে থাকলেও তাঁর সঙ্গে কোনও যোগাযোগ ছিল না বলে জানিয়েছেন বাঁধন। বাংলাদেশে তিনি মূলত টেলিভিশনে অভিনয় করেন। অতিমারীর মধ্যেই হঠাৎ সৃজিতের হোয়াটসঅ্যাপ পান বলে জানিয়েছেন নায়িকা। কিন্তু তিনি বিশ্বাস করেন নি। পরে সৃজিত বাংলাদেশের এক প্রযোজকের মাধ্যমে কন-কল করে তাঁর নাগাল পান, বলে খবর।

মুসকান জুবেরীর মত একটা শক্তিশালী চরিত্রে অভিনয় করানোর আগে মহম্মদ নাজিমউদ্দিনের লেখা উপন্যাসটি বাঁধনকে পাঠান সৃজিত। প্রকাশিত টিজারে আলো-আঁধারিতে সেই নারীকে দেখে আপ্লুত দর্শক।

রবীন্দ্রনাথ এখানে কখনও খেতে আসেন নি’ সিরিজের শুটিং হয় পাঁচঘড়ায়। যে পুরনো বাড়িটি টিজারে দেখা যাচ্ছে সেখানে সত্যজিৎ রায় ‘ঘরে বাইরে’ ছবির শুটিং করেছিলেন। সেই বাড়িতেই এবার নতুন রহস্যের জাল বুনবেন মুসকান জুবেরী।

ছবির শুটিং হয় পাহাড়েও। সিকিমে কোভিড পরিস্থিতির পরেই ছবির শুটিংয়ের কাজ শুরু হয়। বাঁধনের অভিনয়ে খুশি পরিচালক সৃজিত মুখোপাধ্যায়। কারণ বাংলা ওয়েব সিরিজে ‘ক্যানিবালিজম’ নিয়ে কাজ সম্ভবত এই প্রথম।

বাংলাদেশেও বাঁধন ছোটপর্দায় খুবই পরিচিত মুখ। তাঁর বিভিন্ন নাটক ও সিরিয়াল সেদেশে খুবই আদৃত। কিন্তু এই ওয়েব সিরিজের অভিজ্ঞতা তাঁর কাছে একেবারেই অন্যরকম। তাঁর মতে, ছবিতে মহিলাদের জন্য ‘হয় ভালো নয় খারাপ’ চরিত্র লেখা হয়। মুসকান জুবেরীর চরিত্রটি ধূসর। তাই পরতে পরতে সেই চরিত্রকে সাতমাস ধরে অনলাইন ওয়ার্কশপের মাধ্যমে আবিষ্কার করেছেন বাঁধন।

ব্যক্তিগত জীবনে বাঁধন ‘সিঙ্গল মাদার’। মেয়েকে নিয়েই অবসর সময় কাটে তাঁর। বিবাহ বিচ্ছেদের পরে মেয়ের কাস্টডি নিয়েও আইনি লড়াইয়ে জর্জরিত হয়েছেন তিনি। সেই যুদ্ধে জিতে বাঁধন ও তাঁর কন্যা একেবারেই বেঁধে বেঁধে থাকেন। তথ্যসূত্র: জিনিউজ


জুমবাংলানিউজ/এইচএম