
গতকাল বৃহস্পতিবার (৪ জুন) বিকেলে নাফিজের বাড়ির ছাদে এই দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত নাফিজ আহমেদ শান্ত আলমডাঙ্গা উপজেলার গাংনী ইউনিয়নের নান্দবার গ্রামের জাহাঙ্গীরের ছেলে। আর আহত নাহিদ একই গ্রামের লিটনের ছেলে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সন্ধ্যার আগে থেকেই এলাকায় আকস্মিক ঝড়ো হাওয়া শুরু হয়। ওই সময় নাফিজ ও তার চাচাতো ভাই নাহিদ নাফিজদের বাড়ির দ্বিতীয় তলার ছাদে বসে ছিলেন। একপর্যায়ে হঠাৎ প্রচণ্ড শব্দে বজ্রপাত হলে ছাদের পাশের একটি নারকেল গাছে আগুন ধরে যায়। একই সঙ্গে বজ্রপাতের তীব্র আঘাতে ছাদেই দুই যুবক অচেতন হয়ে পড়েন।
পরিবারের সদস্যরা বিষয়টি জানতে পেয়ে দ্রুত ছাদে ছুটে যায় এবং দুজনকে উদ্ধার করে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে কর্তব্যরত চিকিৎসক নাফিজ আহমেদ শান্তকে মৃত ঘোষণা করেন।
স্থানীয় ইউপি সদস্য সাইদুর রহমান জানান, দুই চাচাতো ভাই ছাদে বসে থাকার সময় বজ্রপাতের শিকার হয়। পরে হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক শান্তকে মৃত ঘোষণা করেন এবং আহত নাহিদকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক রোকাইয়া বলেন, সন্ধ্যা ৭টার দিকে বজ্রাঘাতে আহত দুজনকে অচেতন অবস্থায় হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়েছিল। এদের মধ্যে শান্ত নামের একজন হাসপাতালে আসার আগেই মারা যান। আহত নাহিদকে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে হাসপাতালে ভর্তি রেখে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।
আলমডাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বানী ইসরাইল জানান, বজ্রাঘাতে এক যুবকের মৃত্যুর খবর পেয়ে পুলিশ খোঁজখবর নিয়েছে। নিহত যুবকের মরদেহ চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। এই ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।



