Advertisement
জুমবাংলা ডেস্ক : প্রাথমিক শিক্ষকদের নির্ধারিত সময় পর পর বদলি বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে। এ বিষয়ে উদ্যোগ নিচ্ছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর।

জানা যায়, বছরের পর বছর এক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে চাকরি করছেন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা। তাদের ৩ বছর পর পর অথবা ৫ বছর পর পর এক স্কুল থেকে আরেক স্কুলে বদলি করা হবে। তবে শিক্ষকদের যাতে ভোগান্তি না হয় সে কারণে কাছাকাছি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বদলির করার ব্যবস্থা নেয়া হবে। বর্তমানে এটি কার্যকরের উদ্যোগ নিয়েছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর।

এদিকে শিক্ষকদের বদলির পাশাপাশি তিন বছরের ঊর্ধ্বে একই জায়গায় কর্মরত মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তা কর্মচারীদেরও বদলির ব্যবস্থা নিচ্ছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর। বৃহস্পতিবার (৭ জানুয়ারি) বিভাগীয় উপপরিচালকদের কাছে এ তথ্য চেয়েছে ডিপিই। অফিস আদেশে বলা হয়, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরসহ আওতাধীন সকল দপ্তরে দীর্ঘদিন একই কর্মস্থলে তিন বছরের বেশি সময় ধরে কর্মরত কর্মচারীদের তথ্য আগামী সাত কর্ম দিবসের মধ্যে নির্ধারিত ছকে পাঠাতে হবে।

নির্ধারিত ছক অনুযায়ী কর্মচারীর নাম ও পদবী, কর্মরত অফিসের নাম ও যোগদানের তারিখ, কর্মরত জেলা ও উপজেলার নাম, অনুমোদিত পদসংখ্যা এবং বিভাগীয় পর্যায়ের অফিসসহ আওতাধীন অফিসের কর্মরত কর্মচারীদের মোট সংখ্যা জানাতে হবে। এছাড়া তিন বছরের ঊর্ধ্বে কর্মরতদের নিজ জেলা ও উপজেলা, বর্তমান পদে যোগদানের তারিখ, সরকারি চাকরিতে প্রথম যোগদানের তারিখ, সরকারি চাকরিতে প্রথম পদ, আগের দুইটি কর্মস্থলের নাম ও কর্মকালীন মেয়াদের তথ্য জানাতে হবে।

এ বিষয়ে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক আলমগীর মুহম্মদ মসুরুল আলম বলেন, ‘আমরা শিগগিরই এই উদ্যোগ বাস্তবায়ন করবো। এর আগে এ লক্ষ্যে তিন বছরে ঊর্ধ্বে একই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে রয়েছেন এমন শিক্ষকদের তথ্য চাওয়া হয়েছিল। পাশাপাশি অধিদপ্তরের আওতাধীন কর্মকর্তা-কর্মচারীদেরও বদলির ব্যবস্থা নেবো।

Zoom Bangla News
Zoom Bangla News
inews.zoombangla.com
Follow

Follow Zoom Bangla News On Google

Open the Google follow page and tap the checkmark option to receive more updates from Zoom Bangla News in your Google news feed.

Follow Zoom Bangla News On Google

Saiful Islam is a journalist at Zoom Bangla News with seven years of experience in news writing and editorial work. He contributes to producing accurate, well-structured, and reader-focused content across digital platforms. His work reflects a strong commitment to editorial standards and responsible journalism.