in ,

বাবা-ছেলে মিলে ছোট ভাইয়ের সামনে বড় ভাইকে হত্যা

জুমবাংলা ডেস্ক : নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় বাবা ছেলে মিলে ছোট ভাইয়ের সামনে বড় ভাইকে পেটে ছুরিকাঘাত করে হত্যার অভিযোগ উঠেছে।

শনিবার দুপুর সাড়ে ১২টায় ফতুল্লার কুতুবপুর ইউনিয়নের পাগলা নয়ামাটি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে পুলিশ তাৎক্ষনিক ঘটনাস্থলের কাছ থেকে ওই বাবা ছেলেকে গ্রেফতার করেছে।

নিহত মাসুদ (৩০) চাঁদপুর জেলার হাইমচর থানার তেলীগোমর গ্রামের রফিকুল ইসলামের ছেলে। তারা সপরিবারে ফতুল্লার পাগলা নয়ামাটি এলাকায় ইব্রাহীম মিয়ার বাড়িতে ভাড়া থাকেন।

গ্রেফতারকৃতরা হলেন- পাগলা বৈরাগীবাড়ি এলাকার আইয়ুব আলী ড্রাইভার (৪৮) ও তার ছেলে সোহেল (২০)।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, মাসুদের ছোট ভাই শাওনের কাছে ২৫শ টাকা পাবে সোহেল। এ নিয়ে তাদের মধ্যে কয়েকদিন ধরে বিরোধ চলে আসছে। এ বিরোধের জের ধরে শনিবার দুপুর সাড়ে ১২টায় সোহেল ও তার বাবা আইয়ুব আলী ড্রাইভারসহ প্রায় ১৫/২০ জন শাওনের পথরোধ করে। তখন কোনো কথা না বলেই শাওনের গালে থাপ্পড় দেয় সোহেল। এ সময় দূর থেকে বিষয়টি দেখে শাওনের বড় ভাই মাসুদ এগিয়ে এসে তাদের শান্ত করার চেষ্টা করেন।

তখন সোহেল ও তার বাবাসহ তাদের বাহিনীর ১৫/২০ জন মিলে মাসুদ ও তার ছোট ভাই শাওনকে এলোপাথাড়ি মারধর করতে থাকে। এক পর্যায়ে শাওনের সামনেই মাসুদের পেটে কয়েকটি ছুরিকাঘাত করে সোহেল। এরপর সোহেল ও তার বাবা আইয়ুব আলী ড্রাইভার লোকজন নিয়ে পালিয়ে যায়। এ সময় স্থানীয় লোকজন মাসুদকে ঢাকা মেডিকেলে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। মাসুদের লাশ ঢাকা মেডিকেলে ময়নাতদন্তের জন্য রাখা হয়েছে।

এ বিষয়ে নিহত মাসুদের বড় ভাই মামুন জানান, তারা ৭ ভাই ১ বোন। এদের মধ্যে ৫ম মাসুদ তার ছোট শাওন। তারা গার্মেন্টসে কাজ করে। তার বাবা বাড়ির কাছে মুদি দোকানদার। তিনি শুনছেন পাওনা টাকা নিয়ে বিরোধের জের ধরে তার ছোট ভাই মাসুদকে আরেক ভাই শাওনের সামনে সোহেল ছুরিকাঘাত করে হত্যা করেছে। তিনি এ হত্যার বিচার চান।

ফতুল্লা মডেল থানার ওসি রকিবুজ্জামান জানান, যারা হত্যার সঙ্গে জড়িত তাদের মধ্যে প্রধান আসামি সোহেলকে (৩৩) ছুরিসহ এবং তার বাবা আইয়ুব আলী ড্রাইভারকে ঘটনাস্থল থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ঘটনাস্থলের একটি সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করা হয়েছে। তা দেখে অন্যদেরও গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।

অনলাইনে খুব সহজে টাকা ইনকাম করার উপায়