in ,

বারবার বিয়ে ভেঙে যাওয়ায় ঘটককে হত্যা!


জুমবাংলা ডেস্ক : বগুড়ার গাবতলীর প্রত্যন্ত অঞ্চলে জামাল সাকিদার (৫২) হত্যাকাণ্ডের রহস্য উন্মোচন করেছে পুলিশ। তথ্য-প্রযুক্তি ব্যবহার করে জব্বার সাকিদার ও মজিদ সাকিদার নামের দুই সহোদরকে রোববার দিবাগত রাতে গ্রেপ্তার করা হয়।

সোমবার আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিয়েছেন আসামিরা। গ্রেপারকৃত জব্বার ও মজিদ উপজেলার ধোড়া পূর্বপাড়া গ্রামের মৃত কালু সাকিদারের ছেলে।

পুলিশ সূত্র জানায়, নিহত জামাল পেশায় লেবার শ্রমিকের পাশাপাশি ঘটকালির কাজও করতেন। তাকে হত্যার দায়ে গ্রেপ্তার দুই ভাই জব্বার ও মজিদের বিয়ের ঘটকালি করেছিলেন জামাল। এর মধ্যে বড় ভাই জব্বারের একাধিক বিয়ে ভেঙে যায়। সম্প্রতি ছোট ভাই মজিদেরও বিয়ে ভেঙে গেলে সন্দেহের তীর যায় ঘটক জামালের দিকে। এই ক্ষোভে দুই ভাই মিলে ঘটককে হত্যার পরিকল্পনা করেন।

সেই পরিকল্পনা অনুযায়ী গত মাসের ২৬ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যা ৭টায় উপজেলার সোলাকুরিয়া ভাঙা ব্রিজের কাছে দুই ভাইসহ ৩-৪ জন মিলে জামাল সাকিদারকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে পেটে ও মাথায় আঘাত করে ফেলে রেখে যায়। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করে। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ৯ অক্টোবর জামাল সাকিদারের মৃত্যু হয়।

এ ঘটনায় গত ২৭ সেপ্টেম্বর নিহত জামালের ছেলে রুবেল বাদী হয়ে অজ্ঞাত আসামিদের নামে গাবতলী মডেল থানায় মামলা দায়ের করেন।

গাবতলী মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) জিয়া লতিফুল ইসলাম এ প্রতিবেদককে বলেন, জিজ্ঞাসাবাদে সহোদর দুই ভাই জানায়, একের পর এক বিয়ে ভেঙে যাওয়ার তারা জামালকে সন্দেহ করে এবং জামালকে হত্যার পরিকল্পনা করে। সেই পরিকল্পনা অনুযায়ী সহোদর দুই ভাইসহ কয়েকজন মিলে জামালকে হত্যা করে।