
নোটিশে বলা হয়, পত্র পত্রিকা মারফত জানা যাচ্ছে একদল বাড়িওয়ালা বর্তমান পরিস্থিতিতে চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের বাসা ছেড়ে দেওয়ার মতো অযৌক্তিক এবং অমানবিক নির্দেশ প্রদান করছেন; এমনকি তাদের সাথে চরম দুর্ব্যবহার পর্যন্ত করছেন যা তাদেরকে মানসিকভাবে দুশ্চিন্তার মধ্যে ফেলে দিচ্ছে। প্রাণঘাতী করোনার এই পরিস্থিতিতে চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মী চিকিৎসা সেবা পেতে হলে তাদেরকে মানসিকভাবে নির্ভর রাখাটাও জরুরি।
নোটিশে আরো বলা হয়েছে করোনাভাইরাস সংক্রামক রোগ হয় চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মী নিরাপত্তার জন্য পর্যাপ্ত পার্সোনাল প্রটেকশন ইকুইপমেন্ট অত্যন্ত জরুরী।
গত ২২ মার্চ চিকিৎসক ও নার্সদের দ্রুত পিপিই প্রদানের নির্দেশ দেন হাইকোর্ট বিভাগ। তথাপিও পর্যাপ্ত পিপিই না থাকার কারণে অনেক চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মী আক্রান্ত হচ্ছেন। এতে ওই আক্রান্ত চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মী সংস্পর্শে আসা অন্যান্য চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মী ও আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি বেড়ে যাচ্ছে।
ইতিমধ্যে গত ১৫ এপ্রিল আক্রান্ত হয়ে দেশে প্রথম একজন চিকিৎসক মৃত্যুবরণ করেন। সরকারের পক্ষ থেকে আক্রান্ত চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মী দের বীমার আওতায় আনার কথা বললেও তা কোন আইন বা নীতিমালার অধীন কিভাবে বাস্তবায়ন হবে এখন পর্যন্ত কেউ জানেনা তাই এক্ষেত্রে চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মী দের নিরাপত্তার স্বার্থে একটি সুনির্দিষ্ট আইন প্রণয়নের উদ্যোগ গ্রহণ করা অত্যন্ত জরুরি।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।



