সাইফুল ইসলাম, মানিকগঞ্জ: মানিকগঞ্জের সিঙ্গাইরে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. ওবায়দুর রহমানকে মারধর ও মনোনয়পত্র ছিনতাইয়ের ঘটনায় আওয়ামী লীগ প্রার্থীর ছেলে মো. ফয়জুল ইসলাম খাঁনকে গ্রেপ্তার করেছে সিংগাইর থানা পুলিশ।
শুক্রবার (১৫ অক্টোবর) বিকেল সাড়ে তিনটার দিকে সিঙ্গাইর উপজেলা নির্বাচন কার্যালয়ের সামনে এই ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় তিনজন আহত হয়েছেন।
মানিকগঞ্জের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ গোলাম আজাদ খাঁন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার (১৫ অক্টোবর) বিকেল সাড়ে তিনটার দিকে সিঙ্গাইর উপজেলার বলধারা ইউনিয়ন পরিষদের স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থী ও উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি মো. ওবায়দুর রহমান মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার জন্য প্রস্তাবকারী ও সর্মথনকারীসহ কয়েকজনকে নিয়ে উপজেলা নির্বাচন কার্যালয়ের দিকে যান।
উপজেলা নির্বাচন কার্যালয়ের সামনে পৌঁছালে বলধারা ইউনিয়ন পরিষদের আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মাজেদ খাঁনের ছেলে মো. ফয়জুল ইসলাম খাঁন, ভাতিজা জিয়াউর রহমান ও ভাগিনা মোস্তাফিজুর রহমান মিঠুসহ ৪-৫ জন তাদের ওপর হামলা করে।
সেসময় মনোয়নপত্র, ভোটার কার্ড ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ছিনিয়ে নিয়ে চলে যাচ্ছিলো। সেসময় আহতদের চিৎকারে আশপাশের লোকজন এগিয়ে গিয়ে ফয়জুল ইসলামকে আটক করে। বাকিরা দৌড়ে পালিয়ে যায়।
মো. ওবায়দুর রহমান বলেন, ‘ঘটনাটি পুলিশকে জানানোর পর আমাদের উদ্ধার করে থানা হেফাজতে রাখেন। পরে সন্ধ্যার দিকে থানায় লিখিত অভিযোগ করি।’
এ বিষয়ে জানতে আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী আব্দুল মাজেদ খানের মোবাইলে একাধিকবার চেষ্টা করেও তার সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।
পুলিশ সুপার মোহাম্মদ গোলাম আজাদ খাঁন বলেন, ‘এ ঘটনায় একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বাকিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।’
জেলা প্রশাসক মুহাম্মদ আব্দুল লতিফ বলেন, ‘বিষয়টি শুনেছি। যেহেতু হাতে আরও দুইদিন সময় আছে। আশা করি তিনি এই সময়ে মনোনয়নপত্র জমা দিতে পারবেন, কোন সমস্যা হবে না। মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ তারিখ ১৭ অক্টোবর।’
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।