আগামী মাসে অনুষ্ঠেয় টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপে পাকিস্তানের অংশগ্রহণ নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত পিছিয়ে দেয়া হয়েছে। সোমবার পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফের সঙ্গে বৈঠকের পর এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়ার কথা থাকলেও, পরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে পিসিবি চেয়ারম্যান মহসিন নকভি জানান, ‘চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়া হবে শুক্রবার অথবা আগামী সোমবার।’

সোমবার (২৬ জানুয়ারি) প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করে পরিস্থিতি নিয়ে পরামর্শ নেন নকভি। বৈঠকের পর ধারণা করা হচ্ছিল দ্রুতই সিদ্ধান্ত আসবে। তবে পিসিবি প্রধান জানান, বিষয়টি নিয়ে আরও সময় নেওয়া হচ্ছে।
পুরো টুর্নামেন্ট থেকেই পাকিস্তান সরে যাওয়ার সম্ভাবনা কম। কারণ, এমনটি হলে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি) পাকিস্তানের পরিবর্তে বাংলাদেশকে দলে ফেরানোর কথা ভাবছে। বিষয়টি সম্পর্কে অবগত এক কর্মকর্তা হিন্দুস্তান টাইমসকে এ তথ্য জানান।
ওই কর্মকর্তা বলেন, ‘পাকিস্তান যদি সরে দাঁড়ায়, তাহলে গ্রুপ ‘এ’-তে তাদের জায়গায় বাংলাদেশকে সুযোগ দেয়া হবে এবং বাংলাদেশ তাদের সব ম্যাচ শ্রীলঙ্কায় খেলবে, যেমনটা বিসিবি আগে চেয়েছিল। এতে লজিস্টিক দিক থেকে খুব বেশি সমস্যা হবে না।’
এই ব্যবস্থায় আইসিসির ওপর বাংলাদেশের দাবিতে নতি স্বীকার করার অভিযোগও উঠবে না। বরং পাকিস্তান সরে দাঁড়ানোর পর পরিবর্তিত পরিস্থিতির ফল হিসেবেই বিষয়টি দেখা হবে।
উল্লেখ্য, গত ২৪ জানুয়ারি নিরাপত্তাজনিত কারণে ভারতে খেলতে অস্বীকৃতি জানানোয় আইসিসি গ্রুপ ‘সি’ থেকে বাংলাদেশকে বাদ দিয়ে তাদের জায়গায় স্কটল্যান্ডকে অন্তর্ভুক্ত করে।
সোমবার পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকের পর নকভি এক্সে লেখেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ফলপ্রসূ বৈঠক হয়েছে। আইসিসি–সংক্রান্ত বিষয় তাকে অবহিত করেছি। তিনি সব বিকল্প খোলা রেখে বিষয়টি সমাধানের নির্দেশ দিয়েছেন। সিদ্ধান্ত হয়েছে, অংশগ্রহণ নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত শুক্রবার অথবা আগামী সোমবার নেয়া হবে।’
আগামী নির্বাচন দেশের রাজনীতিতে বড় পরিবর্তন আনতে পারে : রুমিন ফারহানা
বিশ্লেষকদের মতে, সরে দাঁড়ানোর মতো শক্ত ভিত্তি না থাকাও পিসিবির দ্বিধার অন্যতম কারণ। যদিও পিসিবি বাংলাদেশের ম্যাচ ভারত থেকে সরানোর দাবিতে সমর্থন দিয়েছিল, তবে আইসিসি বোর্ডে সেই প্রস্তাব ভোটে বাতিল হয়ে যায়।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।


