অপরাধ-দুর্নীতি জাতীয়

বিসিএস পরীক্ষায় চতুর্থ হওয়া এসিল্যান্ড সাইয়েমার কাণ্ডে লজ্জিত সবাই


নিজস্ব প্রতিবেদক: যশোরের মণিরামপুরে মাস্ক না পড়া নিয়ে তিন বৃদ্ধকে কান ধরে দাঁড় করিয়ে রাখার ঘটনায় অভিযুক্ত সহকারী কমিশনার-ভুমি (এসিল্যান্ড) সাইয়েমা হোসেনকে প্রত্যাহার করে নেয়া হয়েছে।

বুধবার জনপ্রশাসন সচিব শেখ ইউসুফ হারুন এ তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, ‘তাকে খুলনা বিভাগীয় কমিশনার অফিসে সংযুক্ত করা হয়েছ।’

সচিব আরও বলেন, ‘যেহেতু এখন অফিস বন্ধ, সেহেতু আগামী ৪ তারিখের পর অফিস খোলা হলে তার বিরুদ্ধে তদন্ত করে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এ ঘটনার জন্য দুঃখ প্রকাশ করছি।’

বিসিএস ৩৪তম ব্যাচের কর্মকর্তা সাইয়েমা হাসান। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মাইক্রোবায়োলজি বিভাগ থেকে পাস করেছেন। কিছুদিন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করেছেন। বিসিএস পরীক্ষায় চতুর্থ হয়েছিলেন সাইয়েমা। বাড়ি রাজশাহীতে।

জনপ্রশাসন সচিব যেমন এই এসিল্যান্ডের কাণ্ডে দুঃখ প্রকাশ করেছেন তেমনি প্রশাসনের অনেক কর্মকর্তাসহ সর্বমহলে তার এহেন কাণ্ডে লজ্জিত ও ঘৃণা প্রকাশ করেছেন।


সরকারের অতিরিক্তি সচিব মাহবুব কবির মিলন তাঁর ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে এক স্ট্যাটাসে লিখেছেন, ‘আমি অনুতপ্ত, লজ্জিত এবং ক্ষমাপ্রার্থী। আমাদের মেয়েটির ভুলের দায় আমার, আমাদের। আমরা হয়ত পারিনি, আমাদের সন্তানদের অন্তরের গভীরে ঢুকে মানবিক মূল্যবোধ জাগাতে। আমরা পারিনি যথাযথ আদব কায়দা শেখাতে। আমরা পারিনি বঙ্গবন্ধুর সেই স্বপ্নের সেবক হতে।

আমরা পারিনি আমাদের সন্তানদের নৈতিক অবক্ষয় আর মূল্যবধের পতন ঠেকাতে। আমরা পারিনি তাঁদেরে সত্যবাদী হয়ে গড়ে তুলতে। এ দায় একান্ত আমার।’

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থী ও নারী নেত্রী আমেনা কহিনুর লিখেছেন, ‘৩৪ তম বিসিএস এর প্রশাসন ক্যাডারের এই ভদ্রমহিলা বাপের বয়সী মুরুব্বিকে কান ধরে উঠবস করিয়েছে। আবার ছবিও তুলে রাখছে। ঘৃণা লাগলো। কি রুচি! আর কি শিক্ষা!

এখন বুঝি ঢাবির এই টাইপের শিক্ষার্থী রা জান প্রান ছেড়ে শুধু বিবিএস এর গাইড মুখস্থ করে,,, বিসিএস অফিসার হওয়ার জন্য। অর্থ আর ক্ষমতার জন্য এরা পড়ে। শিক্ষার জন্য নয়। ছিঃ!

অবিলম্বে একে বিচারের আওতায় আনা হোক। আমাদের সিনিয়র সিটিজেন এর অপমানে আমরাও অপমানিত বোধ করেছি।’

খোরশেদ আলম নামে একজন সরকারি কর্মকর্তা কান ধরে ওঠবস করা বয়স্ক তিনজন ব্যক্তির কথা উল্লেখ করে লিখেছেন, ‘ হয়তোবা পেটের তাগিদে ঘর থেক বের হয়েছিলেন তারা।কথা হলো ওনাদের অন্নের কি ব্যবস্হা আমরা করেছি। ওরা যদি অপরাধী হয় তাহলে ওদের আগে আমরাই অপরাধী।’

গতকাল যে দুটি ছবি ভাইরাল হয়। তার একটিতে দেখা যায়,  সাইয়েমা হাসান দুই ব্যক্তিকে কান ধরে ওঠবস করাচ্ছেন। পেছনে দুই পুলিশ সদস্য ও আরও একাধিক ব্যক্তি। তিনি নিজেই আবার ওই ঘটনার ছবি তুলছেন। আরেকটি ছবিতে দেখা যায়, তিনি একজন বয়স্ক লোককে কানধরে ওঠবস করাচ্ছেন।

 

যাদের বাচ্চা আছে, এই এক গেইমে আপনার বাচ্চার লেখাপড়া শুরু এবং শেষ হবে খারাপ গেইমের প্রতি আসক্তিও।ডাউনলোডকরুন : http://bit.ly/2FQWuTP

আরও পড়ুন

করোনা সন্দেহে ছেলের লাশ নেয়নি পিতা, ৪৩ দিন পর দাফন

globalgeek

করোনা উপসর্গ নিয়ে ২৪ ঘণ্টা ব্যবধানে মারা যান স্বামী-স্ত্রী

globalgeek

করোনায় আক্রান্ত সিলেটের সাবেক মেয়র বদর উদ্দিন কামরান

mdhmajor

জাতিসংঘ পাবলিক সার্ভিস অ্যাওয়ার্ড পাওয়ায় সংশ্লিষ্টদের অভিনন্দন জানালেন ভূমিমন্ত্রী

mdhmajor

সপরিবারে করোনাক্রান্ত হলেন অধ্যাপক গোলাম রহমান

Shamim Reza

ভাসানচরে নিয়ে যাওয়া হতে পারে ভেবে পালিয়েছে করোনা আক্রান্ত ২ রোহিঙ্গা

mdhmajor