
প্রকাশিত ওই প্রতিবেদন অনুযায়ী, সিরোন গ্রামের বাসিন্দা মোহিনী নামের এক তরুণীর সঙ্গে বিয়ে ঠিক হয়েছিল পার্শ্ববর্তী সৌরিক পুলিশ স্টেশনের অন্তর্গত ফুলানপুর গ্রামের বাসিন্দা বাবলু নামে এক যুবকের সঙ্গে। দুপক্ষের আলোচনার মাধ্যমেই বিয়ে পাকাপাকি হয়। এরপর বিয়ের দিন নির্দিষ্ট সময়ে বিয়ের আসরে বরযাত্রী নিয়ে হাজির হন বাবলু। নিয়ম মেনে বিয়ের অনুষ্ঠানও শুরু হয়। কিন্তু ঠিক তখনই সেখানে হাজির হয় আরেক বরযাত্রীর দল। আর সেখানে বরবেশে আসেন হায়াতনগরের বাসিন্দা অজিত নামের ব্যক্তি। তিনিও চান মোহিনীকে বিয়ে করতে। এরপরই বিয়ে বাড়িতে গোলমাল শুরু হয়।
জানা যায়, মোহিনীর সঙ্গে অজিতের প্রেমের সম্পর্ক ছিল। কিন্তু কনের বাড়ির লোকজন এই বিয়েতে রাজি ছিলেন না। তারা মোহিনীর বিয়ে ঠিক করেন বাবুলর সঙ্গে। এরপরই যখন অজিত প্রেমিকার বিয়ের খবর জানতে পারেন তখন পরিবারের সদস্য ও বরযাত্রী নিয়ে বিয়ের দিনই হাজির হন মোহিনীদের বাড়িতে। জানা গেছে, বিয়ের নিয়ম পালনের সময় কনে পরিবারের পছন্দের পাত্র বাবলুর গলায় মালা পরালেও শেষ পর্যন্ত মোহিনী বিয়ে করেন তার প্রেমিক অজিতকেই। এরপর তার সঙ্গেই তিনি শ্বশুরবাড়িতে চলে যান।
এদিকে কনেপক্ষের সঙ্গে প্রথম বরযাত্রীদের বিবাদ বাড়তে থাকে। পরে পুলিশি হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে। এই ঘটনায় পুলিশ কনের বাবা ও চাচাকে হেফাজতে নিয়েছে এবং তাদেরকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। পাশাপাশি দ্বিতীয় বরযাত্রীর বাড়ির লোকজনকেও আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। ঘটনার বিস্তারিত তদন্ত শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। তবে বিষয়টি তদন্তাধীন হওয়ায় এই নিয়ে কোনও পুলিশ কর্মকর্তাই কোনো মন্তব্য করেননি।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।



