বৃষ্টি উপেক্ষা করে শিমুলিয়া ঘাটে ঘরমুখো মানুষের ঢল

মুন্সিগঞ্জ প্রতিনিধি: রাত পোহালেই পবিত্র ঈদুল আযহা। ঈদ আনন্দ পরিবারের সঙ্গে ভাগাভাগি করতে গ্রামে ছুটছে শহরে থাকা মানুষ। দেশের দক্ষিণবঙ্গের ২১ জেলার ঘরমুখো মানুষের উপস্থিতিতে আজ (২০ জুলাই) মুখরিত মুন্সীগঞ্জের শিমুলিয়া ঘাট।

বৃষ্টি উপেক্ষা করে আজ সকাল থেকে রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ছোট-বড় যানবাহনে চড়ে হাজার হাজার যাত্রী ঘাটে উপস্থিত হয়ে ফেরি ও লঞ্চে পদ্মা পাড়ি দিচ্ছেন। ফেরিঘাটে যানবাহন আর লঞ্চঘাটে যাত্রীদের উপচেপড়া ভিড়। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সে ভিড় আরও বাড়তে থাকে।

শৃংখলা রক্ষায় ঘাটে মোতায়েন করা হয়েছে আইনশৃংখলা বাহিনীর অতিরিক্ত সদস্য। এরপরও যাত্রীর চাপে হিমশিম খেতে হচ্ছে কর্তৃপক্ষকে। উপেক্ষিত থাকছে স্বাস্থ্যবিধি। যে যেভাবে পারছে লঞ্চ ফেরিতে পারি দিচ্ছে পদ্মা।

এদিকে আজকেও পদ্মায় তীব্র স্রোতে শিমুলিয়া-বাংলাবাজার নৌরুটে ফেরি পারাপারে বেশি সময় আর ঘাটে গণপরিবহন ও ব্যাক্তিগত গাড়ির চাপ বাড়ায় ফেরিতে যানবাহন পারাপারে বেগ পেতে হচ্ছে। ঘাটে পারাপারের অপেক্ষায় অবস্থান করছে শতশত ব্যাক্তিগত গাড়ি ও পণ্যবাহী ট্রাক। এছাড়া ঘাটের অভিমুখে ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়েতেও কয়েক কিলোমিটার জুড়ে পণ্যবাহী ট্রাকের দীর্ঘ সারি।

কেরানীগঞ্জ গার্মেন্টসের সুপারভাইজার পদে কাজ করেন সিদ্দিকুর রহমান। সপরিবারে তিনি যাচ্ছেন বাগেরহাটে। পথে একবার যানবাহন পরিবর্তন করছে ভাড়া একটু বেশি গেছে। ঘাট এলাকায় এসে বৃষ্টির জন্য বিপাকে পড়েছেন পরিবার নিয়ে সকলে।

ঘাট কর্তৃপক্ষ সূত্রে জানাগেছে যানবাহন ও যাত্রী পারাপারে শিমুলিয়া-বাংলাবাজার নৌরুটে বর্তমানে ১৫টি ফেরি ও ৮৪টি লঞ্চ সচল রয়েছে।

বিআইডাব্লিউটিএ শিমুলিয়া নদী বন্দর কর্মকর্তা শাহাদাত হোসেন জানায়, বরাবরই ঈদের আগে শেষ দুদিনে যাত্রীদের চাপ পরে। ৮৪টি লঞ্চ দিয়ে শিমুলিয়া-বাংলাবাজার ও শিমুলিয়া মাজিরকান্দি রুটে যাত্রী পারাপার করা হচ্ছে।

এ বিষয়ে বিআইডাব্লিউটিস শিমুলিয়াঘাটের সহকারী ব্যবস্থাপক ফয়সাল আহমেদ জানান, নৌরুটে বর্তমানে ১৫টি ফেরি সচল রয়েছে। ঘাট এলাকায় পারাপারের জন্য যাত্রী ও পণ্যবাহী মিলিয়ে ৮ শতাধিক যানবাহন রয়েছে। পর্যায়ক্রমে সকল যানবাহন পারাপার করা হবে। তবে সকাল থেকে যাত্রী এবং মোটরসাইকেল চাপ রয়েছে ফেরি গুলোতে। বেশ কয়েকটি ফেরি ছাড়তে হয়েছে শুধু যাত্রী ও মোটরসাইকেল নিয়ে।


জুমবাংলানিউজ/এইচএম