
মরহুমার পুত্র বাসসের প্রধান বার্তা সম্পাদক (সিএনই) এ জেড এম সাজ্জাদ হোসেন বলেন, ‘আমার মা আজ সন্ধ্যায় বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় আমার ছোট ভাইয়ের বাসায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছেন।’
হাফিজুন্নেছা তৎকালীন মাদারীপুর মহকুমা আওয়ামী লীগের সভাপতি ছিলেন। তিনি ছয় পুত্র, এক মেয়ে এবং বহু আত্মীয়-স্বজন ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।
তার চিকিৎসক স্বামী মরহুম এম এ কাশেম ছিলেন সাবেক সংসদ সদস্য (এমপি), তৎকালীন মাদারীপুর (বর্তমান শরীয়তপুর) আসনের জাতীয় পরিষদ সদস্য (এমএনএ), মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক ও আওয়ামী লীগ নেতা।
তার তিন পুত্র ও এক মেয়ে পেশায় চিকিৎসক। তার তৃতীয় সন্তান অধ্যাপক ড. এজেডএম মোস্তাক হোসেন তুহিন রাজশাহী মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (আরএমইউ) উপাচার্য।
পারিবারিক সূত্র জানায়, দাফনের জন্য তার লাশ আগামীকাল মাদারীপুর নিয়ে যাওয়া হবে। নামাজে জানাজার পর সেখানে তার দাফন সম্পন্ন হবে।
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বেগম হাফিজুন্নেছার মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন।
তিনি আজ এক শোক বার্তায় মরহুমার রুহের মাগফেরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
বাসস’র ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান সম্পাদক আবুল কালাম আজাদও তার মৃত্যুতে শোক প্রকাশ এবং মরহুমার বিদেহী আত্মার শান্তি কামনা করেছেন।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।



