আন্তর্জাতিক

বেতন নেই, হতাশায় কুয়োয় ঝাঁপিয়ে আত্মঘাতী ৯ জন


আন্তর্জাতিক ডেস্ক : করোনাভাইরাস মহামারি বিশ্বে নানারকম মানবিক বিপর্যয়ের জন্ম দিয়েছে।  ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে তীব্র যন্ত্রণা ভোগ আর মৃত্যু তো আছেই, তার বাইরে কাজ হারানো, আয়-রোজগার বন্ধ হয়ে যাওয়ায়  অনাহারে দুর্বিষহ সময় কাটানোর ঘটনাও কম নয়।

করোনাভাইরাসের প্রকোপে ভারতের পরিযায়ী শ্রমিকদের জীবনে চরম দুর্যোগ নেমে এসেছে। ঘটছে নানা মানবিক বিপর্যয়। ভিন রাজ্য কাজ হারিয়ে অনাহারে দিনাতিপাত, হেঁটে বা সাইকেলে করে কয়েকশ কিলোমিটার পথ পেরিয়ে বাড়ি ফিরতে গিয়ে রাস্তায় মৃত্যুসহ নানা মর্মান্তিক ঘটনা ঘটেই চলেছে।

এবার দেশটির তেলাঙ্গানা রাজ্যে লকডাউনে দু’মাস বেতন পেয়ে হতাশায় কুয়োতে ঝাঁপ দিয়ে আত্মহত্যার খবর পাওয়া গেছে।তা-ও একজন দু’জন নয়, নয়জন মানুষ আত্মঘাতী হয়েছেন। অবশ্য এটি পুলিশের সন্দেহ। তদন্তের পর্ কেবল বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া যাবে।

আনন্দবাজার পত্রিকা জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার ও শুক্রবার মিলিয়ে বেতন  না-পাওয়া শ্রমিক ও তাঁদের পরিবার মিলিয়ে ৯ জনের দেহ উদ্ধার করা হয়েছে তেলঙ্গানার গ্রামের এক কুয়ো থেকে। তাঁদের মধ্যে ছ’জন পশ্চিমবঙ্গের এবং একই পরিবারের। দু’জন বিহারের। এক জন ত্রিপুরার।


বৃহস্পতিবারই রাজ্যটির মুখ্যমন্ত্রী কে সি রাও জানিয়েছেন,পরিযায়ী শ্রমিকদের ঘরে ফেরার জন্য ট্রেন-বাসের বন্দোবস্ত করা হয়েছে। হেঁটে যেন কেউ বাড়ির পথ না-ধরেন। সে দিনই হায়দরাবাদের উপকণ্ঠে গোরেকুন্টা গ্রামে এই কুয়োটি থেকে চার জনের দেহ উদ্ধার হয়। শুক্রবার মেলে আরও পাঁচ জনের।

পুলিশের প্রাথমিক অনুমান, এটা গণ-আত্মহত্যা।  ঘরে ফিরতে পারছিলেন না। দু’মাস ধরে জুটমিল ও অন্য কারখানা থেকে বেতন পাননি এই শ্রমিকেরা।  কারও শরীরে আঘাতের চিহ্নও নেই। ফলে হত্যার ঘটনা হওয়ার সম্ভবনা কম বলে মনে করা হচ্ছে। ঘরে ফিরতে না-পারা, আশ্রয় খোয়ানো এবং চরম আর্থিক সঙ্কট নিয়ে সকলেরই অবস্থা ছিল কোণঠাসা। পশ্চিমবঙ্গের মকসুদ আলম ২০ বছর আগে গোরেকন্টার এক জুট মিলে কাজ পান। কারখানা লাগোয়ো দু’টি ঘরে সপরিবার থাকতেন তিনি। লকডাউনে বেতন বন্ধ হয়। খোয়ান আশ্রয়ও।

স্থানীয় এক দোকানদার নিজের গুদামে আশ্রয় দিয়েছিলেন তাঁদের। তারই কাছে এই কুয়োটি। যা থেকে মিলেছে মকসুদ, তাঁর স্ত্রী নিশা, দুই ছেলে সোহেল ও শাবাদ, মেয়ে বুশরা খাতুন এবং তিন বছরের নাতি শাকিলের দেহ। ত্রিপুরার বাসিন্দা শাকিল আহমেদ জুট মিলের গাড়ি চালাতেন। এ ছাড়া বিহারের শ্রীরাম ও শ্যাম অন্য একটি কারখানায় কাজ করতেন।  এঁরা সকলে একই কুয়োয় কী ভাবে মারা গেলেন, পুলিশ অন্ধকারে।

যাদের বাচ্চা আছে, এই এক গেইমে আপনার বাচ্চার লেখাপড়া শুরু এবং শেষ হবে খারাপ গেইমের প্রতি আসক্তিও।ডাউনলোডকরুন : http://bit.ly/2FQWuTP

আরও পড়ুন

পঙ্গপাল দিয়ে হাঁস-মুরগির খাবার বানাচ্ছে পাকিস্তান

Sabina Sami

ভ্যাকসিন এলেও করোনা বিলীন হবে না, সতর্ক করলেন বিশেষজ্ঞরা

Sabina Sami

সৌদিতে করোনায় আরও এক বাংলাদেশির মৃত্যু

Sabina Sami

যুক্তরাষ্ট্রে মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ২ হাজার ৭৯৮ জন

Sabina Sami

করোনায় রেমডেসিভির ও প্ল্যাজমা থেরাপি ব্যবহারে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার না

Sabina Sami

করোনায় মৃত্যুতে স্পেনকে টপকে গেল ব্রাজিল

Sabina Sami