in , ,

ব্যাটিং ব্যর্থতায় ২৩ রানে হারলো টাইগাররা

স্পোর্টস ডেস্ক: হারারেতে তিন ম্যাচ সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচে বাংলাদেশকে ২৩ রানে হারিয়ে সিরিজে সমতা নিশ্চিত করেছে জিম্বাবুয়ে।

এদিন প্রথমে ব্যাট করে ১৬৬ রানের চ্যালেঞ্জিং স্কোর পায় জিম্বাবুয়ে। জবাবে ব্যাটিং বিপর্যয়ে ১৪৩ রানেই গুটিয়ে যায় বাংলাদেশ। সিরিজে স্বাগতিকরা সমতায় (১-১) ফেরায় শেষ ম্যাচটি হয়ে থাকলো সিরিজ নির্ধারণী ম্যাচ।

১৬৭ রানের লক্ষ্যে ব্যাটিংয়ে নেমে শুরু থেকেই ছন্নছাড়া বাংলাদেশ। দলীয় ১৭ রানের মাথায় দুই উইকেট হারায় সফরকারীরা। নাইম শেখ ৮ বলে ৫ রান ও সৌম্য সরকার ৭ বলে ৮ রান করে মাঠ ছাড়েন। আগের ম্যাচে রেকর্ড জুটি করা দুই ওপেনার এদিন পুরোপুরি ব্যর্থ।

১৭ রানে দুই উইকেট হারানোর পর সাবধানী শুরু করেন সাকিব। কিন্তু নিজের ঝুলিতে ১২ রান করতেই বেখেয়েলি শটে আত্নাহুতি দেন তিনি। মাসাকাদজার শর্ট বলে ক্রিজ ছেড়ে বেরিয়ে এসে মারতে চাইলেন সাকিব। কিন্তু টাইমিংয়ে গড়বড় হওয়ায় কাভারে ক্যাচ দেন সিকান্দার রাজার হাতে।

গত ম্যাচে তিনে ব্যাট করা মাহমুদউল্লাহ এই ম্যাচে নামেন পাঁচে। কিন্তু বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি। দলকে বিপদে ফেলে মাত্র ৪ রান করেই সাজঘরে ফেরেন টাইগার অধিনায়ক। এরপর স্কোরকার্ডে ১ রান যোগ হতেই অধিনায়কের পথ ধরেন মেহেদী। মাসাকাদজার বলে ক্রিজ ছেড়ে বেরিয়ে এসে তুলে মারা মেহেদী পার করতে পারেননি সীমানা। লং-অফে ধরা পড়লেন রায়ান বার্লের হাতে। ৪ বলের ব্যবধানে ২ উইকেট হারায় বাংলাদেশ, ৫৩ রানেই হারায় ৫ উইকেট।

আগের ম্যাচে দুর্দান্ত নুরুল হাসানের সামনে সুযোগ ছিল আজকের ম্যাচটি স্মরণীয় করে রাখা। কিন্তু দ্রুত আউট হলেন তিনিও। চাতারার বল ক্রিজ ছেড়ে বেরিয়ে এসে অফস্টাম্পের বাইরের বলে মেরে ধরা পড়েছেন ডিপ পয়েন্টে। ৮ বলে ৯ রান করেন নুরুল।

অভিষেকে আফিফ হোসেনকে নিয়ে একাই লড়াই চালিয়ে গেছেন শামীম হোসেন। মাধেভেরেকে ছক্কা হাঁকিয়ে ১৫তম ওভারে দলের রান তিন অঙ্কে নিয়ে যান তিনি। তার ব্যাটে জয়ের আশা জাগলেও তা পূরণ করতে পারেননি শামীম। লুক জঙ্গুয়ের বলে ওয়েলিংটন মাসাকাদজার হাতে ধরা পড়েন এই তরুণ ক্রিকেটার। ১৩ বলে দুই ছক্কা ও তিন চারে শামীম বিদায় নেন ২৯ রানে।

শামীমের বিদায়ের পর অনেকটা সময় টিকে ছিলেন আফিফ হোসেন। চেষ্টা করছিলেন যতটা কাছে যাওয়া যায়। কিন্তু শেষ পর্যন্ত ফিরে যান তিনিও। টেন্ডাই চাতারার বলে ছক্কা মারতে চেয়েছিলেন বাঁহাতি এই ব্যাটসম্যান। টাইমিং করতে পারেননি, মিল্টন শুম্বার হাতে ধরা পড়েন তিনি। একটি করে ছক্কা ও চারে ২৫ বলে ২৪ রান করেন আফিফ।

শেষ ওভারে বাংলাদেশের প্রয়োজন ৩১ রান। প্রতিটি বলেই তাই বাউন্ডারির সন্ধানে ছিলেন মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন। লুক জঙ্গুয়ের আগের বলে বাউন্ডারি মেরে পরের বলে ক্যাচ দিয়ে ফিরেন এই অলরাউন্ডার। ১৫ বলে একটি করে ছক্কা ও চারে ১৯ রান করেন সাইফ। লুক জঙ্গুয়ের করা শেষ ওভারের পঞ্চম বলে আউট হন তাসকিন আহমেদ। তাতে এক বল বাকি থাকতেই শেষ হয়ে যায় সফরকারীদের ইনিংস। এতে এই সফরে প্রথমবারের মত হারের মুখ দেখে বাংলাদেশ।

 

অনলাইনে খুব সহজে টাকা ইনকাম করার উপায়