
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আজ শনিবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সরকারি বাসভবনে ওই সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়। বিদায়ি সিডিএ কক্সবাজারের চেয়ে ভাসানচরের পরিবেশ রোহিঙ্গাদের জন্য অনেক অনুকূল বলে উল্লেখ করেন।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওমানে প্রায় সাত লাখ বাংলাদেশি কর্মীর কল্যাণ নিশ্চিত করতে ওমান সরকারের নেওয়া উদ্যোগের প্রশংসা করেন এবং কৃতজ্ঞতা জানান। রোহিঙ্গা ইস্যু, বিশেষ করে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে প্রস্তাব গ্রহণ ও আন্তর্জাতিক ন্যায়বিচার আদালতে (আইসিজে) মিয়ানমারের বিরুদ্ধে গাম্বিয়ার মামলায় সহযোগিতার ক্ষেত্রে ওমানের ভূমিকার প্রশংসা করেন।
ওমানের সিডিএ বলেন, ওমানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এশিয়া বিভাগের প্রধান হিসেবে তিনি এ দেশকে আগেও দেখেছেন। গত ১০ বছরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ অনেক বদলে গেছে। রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দেওয়ার ক্ষেত্রে বাংলাদেশ সরকারের অনন্য অসাধারণ মহানুভবতার তিনি প্রশংসা করেন।
বাংলাদেশ ও ওমানের মধ্যে কূটনৈতিক ও অফিশিয়াল পাসপোর্টধারীদের ভিসা অব্যাহত চুক্তি সইয়ের প্রক্রিয়ার অগ্রগতির প্রশংসা করেন ওমানের সিডিএ। তিনি জানান, ওই চুক্তি সই করার জন্য ওমান প্রস্তুত আছে। দুই দেশের সুবিধাজনক সময়ে চুক্তিটি সই করার জন্য এরই মধ্যে ওমানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের আন্ডার সেক্রেটারিকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।



