
ঘটনাটি ঘটেছে ইন্দোনেশিয়ার ইস্ট অসেহ এলাকায়।
বৃহস্পতিবার (২৬ নভেম্বর) ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম ডেইলিমেইলের খবরে বলা হয়েছে, চাবুক মারা শুরু হলেই যন্ত্রণায় ছটফট করতে থাকে ধর্ষক। চাবুকের কয়েক ঘা খাওয়ার পরই মাটিতে লুটিয়ে পড়ে। যন্ত্রণায় কাতরাতে থাকে। কিন্তু প্রশাসনের পক্ষ থেকে সেখানে একজন ডাক্তার রাখা হয়েছিল। তিনি সেই ধর্ষকের শুশ্রূষা করেন। পরে আবার তাকে চাবুক মারা হয়।
ইসলামিক আইনের লঙ্ঘন করলে ইন্দোনেশিয়ায় চাবুক মারা সাধারণ ব্যাপার। তবে এতবার চাবুক মারা হয় শুধু গুরুতর অপরাধ করলেই।
কম বয়সী এক কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগে ওই তরুণকে গ্রেফতার করা হয়েছিল গত বছর। ধর্ষিতার বয়স প্রকাশ করা হয়নি।
আরো পড়ুন: অ্যাম্বুলেন্স দেরিতে পৌঁছানোয় ম্যারাডোনার মৃত্যু!
দেশটির প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এমন নির্মম শাস্তি দেওয়া হয় যাতে এরপর কেউ একই অপরাধ করার আগে দুবার ভাবে!
এদিন ইন্দোনেশিয়ার ইস্ট অসেহ-তে আরও দুজনকে ১০০ চাবুক মেরে শাস্তি দেওয়া হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধেও নিজের থেকে কমবয়সী মেয়েদের ওপর যৌন অত্যাচার করার অভিযোগ ছিল।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।



