Views: 223

জাতীয়

করোনায় মারা গেলেন খ্যাতিমান চিত্রশিল্পী মুর্তজা বশীর

জুমবাংলা ডেস্ক : চলে গেলেন খ্যাতিমান চিত্রশিল্পী মুর্তজা বশীর।

রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালের নিবিড় পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন অবস্থায় আজ শনিবার (১৫ আগস্ট) শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছেন তিনি। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৮৮ বছর৷

শিল্পীর পারিবারিক বন্ধু আলোকচিত্রী মোহাম্মদ আসাদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

গত বৃহস্পতিবার (১৪ আগস্ট) দিবাগত রাত দেড়টার দিকে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালের মেডিক্যাল ইনটেনসিভ কেয়ার ইউনিটে (এমআইসিইউ) ভর্তি করা হয় মুর্তজা বশীরকে। গতকাল শুক্রবার সন্ধ্যায় এভারকেয়ার হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানায়, মুর্তজা বশীরের শরীরে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ শনাক্ত হয়েছে। এ ছাড়া তিনি হৃদরোগ, ফুসফুস ও কিডনি জটিলতায় ভুগছিলেন।


ভাষাবিদ ড. মুহাম্মদ শহীদুল্লাহর ছেলে চিত্রশিল্পী মুর্তজা বশীর ১৯৩২ সালের ১৭ আগস্ট ঢাকায় জন্মগ্রহণ করেন। চিত্রকলায় গুরুত্বপূর্ণ অবদানের জন্য ১৯৮০ সালে একুশে পদক পান তিনি। একই কাজে স্বাধীনতা পুরস্কার পান ২০১৯ সালে। কর্মজীবনে তিনি দীর্ঘদিন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা বিভাগের অধ্যাপক ও চেয়ারম্যান হিসেবে কর্মরত ছিলেন।

বাংলাদেশে বিমূর্ত ধারার চিত্রকলার অন্যতম পথিকৃৎ মুর্তজা বশীরের ‘দেয়াল’, ‘শহীদ শিরোনাম’, ‘পাখা’, ‘রক্তাক্ত ২১শে’ শিরোনামের চিত্রকর্মগুলো বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। পেইন্টিং ছাড়াও ম্যুরাল, ছাপচিত্রসহ চিত্রকলার বিভিন্ন মাধ্যমে কাজ করেছেন মুর্তজা বশীর। মুদ্রা ও শিলালিপি নিয়ে গবেষণা এবং বইও লিখেছেন ৮৮ বছর বয়সী এ বরেণ্য চিত্রশিল্পী।


যাদের বাচ্চা আছে, এই এক গেইমে আপনার বাচ্চার লেখাপড়া শুরু এবং শেষ হবে খারাপ গেইমের প্রতি আসক্তিও।ডাউনলোডকরুন : https://play.google.com/store/apps/details?id=com.zoombox.kidschool


আরও পড়ুন

বাংলাদেশের ইতিহাসে এই পর্যন্ত কোনো নারীরই ‘ফাঁসি’ কার্যকর হয়নি!

Saiful Islam

বিএনপি শুধু খুনীর দল নয়, তারা ধর্ষণকারীরও দল : তথ্যমন্ত্রী

Saiful Islam

৮৪ হাজার পদ খালি, বাংলাদেশ থেকে ডাক্তার ও কর্মী নেবে যুক্তরাজ্য

Saiful Islam

ধর্ম সচিবের ছোট ছেলের রুহের মাগফেরাত কামনায় দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত

mdhmajor

বিএনপির আন্দোলন এখন পত্রিকার পাতা আর ফেসবুক স্ট্যাটাসে সীমাবদ্ধ: কাদের

mdhmajor

ফাঁসির রায়ের পর হাসতে হাসতে প্রিজন ভ্যানে উঠলেন ও ইশারায় টাকাও চাইলেন!

globalgeek