হেগসেথ যুক্তি দিয়ে বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনীর বৈশ্বিক ভূমিকা এমন যে এটি আন্তর্জাতিক পর্যায়ে সর্বোচ্চ স্বীকৃতি পাওয়ার যোগ্য।

গত ২৪ এপ্রিল ওয়াশিংটন ডিসিতে এক প্রতিরক্ষা ব্রিফিং চলাকালীন মার্কিন প্রতিরক্ষা সচিব পিট হেগসেথ বলেন, মার্কিন সামরিক বাহিনীকে প্রতি বছর নোবেল শান্তি পুরস্কার দেওয়া উচিত। তিনি আমেরিকান সেনাবাহিনীকে বিশ্বব্যাপী নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতার প্রধান রক্ষক হিসেবে বর্ণনা করেছেন।
এই ব্রিফিংটি ড্যান কেইনের সঙ্গে যৌথভাবে অনুষ্ঠিত হয়। ড্যান কেইন জয়েন্ট চিফস অব স্টাফের চেয়ারম্যান। ব্রিফিংটি এমন এক সময়ে হয়, যখন ইরানের সঙ্গে উত্তেজনা বাড়ছিল।
একজন সাংবাদিক প্রশ্ন করেন, প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের নাম পরিবর্তন করে ‘ডিপার্টমেন্ট অব পিস’ রাখা যেতে পারে কি না। এর জবাবে হেগসেথ যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক নীতির কেন্দ্রীয় ধারণা ‘শক্তির মাধ্যমে শান্তি’ -এর ওপর জোর দেন।
তিনি বলেন, ‘আসলে সেটাই লক্ষ্য। আপনি প্রতিরক্ষা থেকে যুদ্ধে যান, কারণ আপনি শক্তির মাধ্যমে শান্তি প্রতিষ্ঠায় সক্রিয় হতে চান। আমি জেনারেলদের সামনে একটি বক্তব্য দিয়েছিলাম, যেখানে বলেছি যুদ্ধ দপ্তরের নৈতিক ভিত্তি কী—কারণ আমি চাই এই ধারণা এই বিভাগের প্রতিটি স্তরে ছড়িয়ে পড়ুক।’
তিনি আরও বলেন, ‘এটার অর্থ আছে, এটি শুধু কথার কথা নয়। আপনি যখন সঠিকভাবে যুদ্ধ করেন, তখন লক্ষ্য থাকে—শেষ পর্যন্ত শান্তি প্রতিষ্ঠা করা। আমরা সেটাই সবচেয়ে বেশি দেখতে চাই।’
হেগসেথ আরও যুক্তি দেন, যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনীর বৈশ্বিক ভূমিকা এমন যে এটি আন্তর্জাতিক পর্যায়ে সর্বোচ্চ স্বীকৃতি পাওয়ার যোগ্য।
আরও পড়ুনঃ
তিনি বলেন, ‘আসলে আমি একবার একটি ভিডিওতে বলেছিলাম, এমন একটি প্রতিষ্ঠান যা প্রতি বছরই নোবেল শান্তি পুরস্কার পাওয়া উচিত, সেটি হলো যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী। কারণ আমরা শুধু আমাদের দেশের নয়, এই বিশ্বের অনেক মানুষের নিরাপত্তা ও সুরক্ষার নিশ্চয়তা প্রদান করি।’
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।


