
শনিবার (১৪ সেপ্টেম্বর) রাতে আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী সংসদের সভা শেষে একথা জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।
এ বিষয়ে ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি এচ এম বদিউজ্জামান সোহাগ বলেন, আমি তাদেরকে (শোভন-রাব্বানী) বহু বার বলেছি, কমিটি গঠনে মনোযোগী হও। গা ভাসিয়ে চলাফেরা কর না কিন্তু তারা কোন কিছুর তোয়াক্কা না করে, তাদের মতই চলেছে। আজ যা হবার তাই হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর আস্থা ও বিশ্বাসকেই তারা শুধু ক্ষতি করেনি, বরং একাধারে দেশের ঐতিহ্যবাহী ছাত্র সংগঠন, ছাত্রলীগের গায়ে কালিমা এঁকে দিয়েছে। নয়তো তাদেরকে পদচুত্য করতেন না আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
গতকাল দেশের একটি বেসরকারি টেলিভিশন টকশো অনুষ্ঠানে সদ্য বিদায়ী ছাত্রলীগের নেতাদের বিষয়ে এমন ক্ষোভ প্রকাশ করেন ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি।
‘আমি ওদের সভাপতি-সাধারণ সম্পাদক বানালাম, কিন্তু ওরা পদ পাওয়ার পর ‘মনস্টার’ হয়ে গেল।’ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার এমন বক্তব্য উল্লেখ করে সোহাগ বলেন,
কতটুকু কষ্ট পেলে একজন রাষ্ট্রনায়ক এবং সংগঠনের সাংগঠনিক নেতা এমন কথা বলেন। প্রধানমন্ত্রীর একথা থেকেই স্পষ্ট হয়ে যায়, তারা তাদের পদের মর্যাদা রক্ষায় নিয়োজিত না থেকে বরং নিজেরা গা ভাসিয়ে চলাফেরা করেছেন। আমি ব্যক্তি সোহাগ কোন বিষয় না, যখন আমি দলীয় পদ বহন করবো, তার মর্যদা অবশ্যই আমাকে রক্ষা করতে হবে। এটা অন্য কেউ এসে আমাকে রক্ষা করে দিতে পারবে না। দেখেন, আজ তাদের এ অবস্থার জন্য তারা নিজেরাই দায়ী। তাদের আরও দায়িত্ববান হওয়া উচিত ছিল। কেননা চেয়ার কারও জন্য স্থায়ী নয়, কিন্তু চেয়ারের মর্যদা রক্ষা করার দায়িত্ব কিন্তু যিনি চেয়ার পেয়েছেন তারই।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।



