Views: 13

জাতীয় বিভাগীয় সংবাদ

মেহেরপুর ও লালমনিরহাটে উন্নয়ন কার্যক্রম পরিদর্শন করলেন স্থানীয় সরকার মন্ত্রী


জুমবাংলা ডেস্ক: মেহেরপুরের মুজিবনগরে স্বাধীনতা সড়ক ও লালমনিরহাটের বিভিন্ন ছিটমহলসহ দুই জেলায় সরকার কর্তৃক বাস্তবায়নাধীন নানা উন্নয়নমূলক কাজ পরিদর্শন করেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মোঃ তাজুল ইসলাম।

আজ সকালে স্থানীয় সরকার মন্ত্রী তেজগাঁও পুরাতন বিমান বন্দর থেকে হেলিকপ্টারযোগে জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রীকে সাথে নিয়ে প্রথমে মেহেরপুরের উদ্দ্যেশে যাত্রা শুরু করেন। সকাল সাড়ে দশটায় পৌঁছে প্রথমে স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন তিনি।

এরপর স্বাধীনতা সড়কসহ এলজিইডি কর্তৃক বাস্তবায়নাধীন বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজ পরিদর্শন করেন।

এসময় মন্ত্রী সাংবাদিকদের জানান, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে ঐতিহাসিক এই জায়গায় স্বাধীনতা সড়কটি নির্মাণ করা হচ্ছে। সড়কটি বাস্তবায়িত হলে দুই দেশের মধ্যকার সম্পর্ক আরো সুদৃঢ় হবে, দুই দেশের জনগণের মধ্যে সম্প্রীতি বৃদ্ধি পাবে। এছাড়া উভয় দেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের পাশাপাশি যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নতির মাধ্যমে ব্যবসা-বাণিজ্যের ক্ষেত্র প্রসারিত হবে। পর্যটনের ক্ষেত্রেও নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচিত হবে।

তিনি আরও জানান, মুজিবনগর-কলকাতা স্বাধীনতা সড়কের কাজ শিগগিরই শুরু হবে এবং সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে করা হবে।।

মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি সংরক্ষণে স্বাধীনতা সড়কটি আগামী মার্চে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি উদ্বোধন করবেন বলেও জানান মন্ত্রী।

স্বাধীনতা সড়কটি ঐতিহাসিক মুজিবনগর থেকে শুরু হয়ে ভারতের নদীয়া থেকে কলকাতার সঙ্গে যুক্ত হয়েছে।

পরে স্থানীয় সরকার মন্ত্রী জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রীসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দকে সাথে নিয়ে ঐতিহাসিক মুজিবনগর স্মৃতি কমপ্লেক্সসহ স্মৃতি বিজড়িত স্থানসমূহ পরিদর্শন করেন।  মুজিবনগর স্মৃতি কমপ্লেক্সে আয়োজিত পর্যালোচনা সভায় যোগ দেন তাজুল ইসলাম।

সভায় স্বাধীনতা সড়কের (মুজিবনগর-কলকাতা) উপরে একটি প্রেজেন্টেশন উপস্থাপন করা হয়।


মেহেরপুর সফর শেষে বিকালে মন্ত্রী লালমনিরহাট পৌঁছে তিন বিঘা করিডোরে বিজিবি এবং বিএসএফ কর্তৃক গার্ড অব অনার গ্রহণ করেন। গার্ড আব অনার শেষে দহগ্রাম অঙ্গরপোতা ছিটমহল এলাকা ঘুরে দেখেন তিনি।

এরপর লালমনিরহাট জেলার বিলুপ্ত ছিটমহলের উন্নয়ন পরিদর্শন ও আলোচনা সভায় অংশ নিয়ে স্থানীয় সরকার মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ ভারত ছিটমহল বিনিময় হওয়ার পরপরই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এসব এলাকায় সকল নাগরিক সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করার নির্দেশ দেন। নির্দেশনা অনুযায়ী সকল ছিটমহলে রাস্তা ঘাট, ব্রিজ, মসজিদ মন্দির, স্কুল কলেজ, হাসপাতাল বিদ্যুৎসহ সব নাগরিক সেবা ঘরে ঘরে পৌঁছে দেয়া হয়েছে। দীর্ঘ ৬৮ বছর ধরে ছিটমহলের মানুষ যে অমানবিক কষ্ট করেছেন তা শেখ হাসিনা অল্প সময়ের মধ্যেই লাঘব করে দিয়েছেন।

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান দেশ স্বাধীন হওয়ার পর বাংলাদেশ ভারত সীমান্ত সমস্যা সমাধানের উদ্যোগ গ্রহণ করেন জানিয়ে তিনি বলেন, ৭৫ এর ১৫ আগস্ট স্বাধীনতা বিরোধীরা বঙ্গবন্ধুকে শহীদ করার পর সে উদ্যোগ থেমে যায়। এর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ক্ষমতায় এসে বঙ্গবন্ধুর গৃহীত উদ্যোগ বাস্তবায়ন করে দুই দেশের মানুষকে বন্দিদশা থেকে মুক্ত করেন।

ছিটমহলে সরকারের গৃহীত বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের বর্ণনা দিয়ে স্থানীয় সরকার মন্ত্রী বলেন, দেশের অন্যান্য অঞ্চলের ন্যায় এখানকার মানুষও সকল নাগরিক সুবিধা পাচ্ছে। একই দেশে বসবাস করে সকল নাগরিক সমান সুবিধা পাবে এটাই নিয়ম।

এক অঞ্চলের মানুষকে বঞ্চিত করে অথবা বৈষম্য তৈরি করে আর এক অঞ্চলে উন্নয়ন করা হবে না জানিয়ে বিলুপ্ত ছিটমহল অঞ্চলের উন্নয়নে সব ধরণের সহযোগিতার আশ্বাস দেন মোঃ তাজুল ইসলাম।

দিনব্যাপী সফরে স্থানীয় সরকার বিভাগের সিনিয়র সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ, এলজিইডির প্রধান প্রকৌশলী মোঃ আব্দুর রশিদ খান, ডিপিএইচই’র প্রধান প্রকৌশলী মোঃ সাইফুর রহমান, মন্ত্রীর একান্ত সচিব নূরে আলম সিদ্দিকী সফরসঙ্গী ছিলেন।


যাদের বাচ্চা আছে, এই এক গেইমে আপনার বাচ্চার লেখাপড়া শুরু এবং শেষ হবে খারাপ গেইমের প্রতি আসক্তিও।ডাউনলোডকরুন : https://play.google.com/store/apps/details?id=com.zoombox.kidschool



আরও পড়ুন

ভুয়া চিকিৎসকের কারাদণ্ড

Saiful Islam

সাংবাদিককে আটকে রেখে নির্যাতনের অভিযোগে দুই পুলিশের বিরুদ্ধে মামলা

Saiful Islam

রাজশাহীতে শীতার্তদের হাতে কম্বল তুলে দিলেন আরএমপি কমিশনার

mdhmajor

কুবি’র ভিসিসহ একাধিক শিক্ষককে হত্যার হুমকি, থানায় অভিযোগ

mdhmajor

গৃহবধূর কান ছিঁড়ে দুল নিয়ে দৌড়, ধরল পুলিশ

Shamim Reza

মিসাইল উৎক্ষেপণের মধ্য দিয়ে নৌবাহিনীর বাৎসরিক সমুদ্র মহড়া সমাপ্ত

mdhmajor