জুমবাংলা ডেস্ক: মেয়ের অ্যাসাইমেন্ট জমা দিতে এসে মারা খায়রুল ইসলাম (৫৫) নামে এক অভিভাবক মারা গেছেন। সোমবার বিকেলে ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের বেইলি রোডের শাখায় (মূল শাখা) অসুস্থ হয়ে পড়েন তিনি। এরপর তাকে পার্শ্ববর্তী হাসপাতালে নেয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসকরা মৃত ঘোষণা করেন।
ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের অভিভাবক ফোরামের সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ আব্দুল মজিদ সুজন বাংলাদেশ জার্নালকে বলেন, মেয়ের অ্যাসাইনমেন্ট জমা দিতে ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের বেইলি রোডে (মূল শাখা) অভিভাবকদের লাইনে দাঁড়িয়ে ছিলেন খায়রুল ইসলাম। এ সময় তার শরীর খারাপ হওয়ায় অন্য অভিভাবকরা তাকে একটি ক্লাস রুমে নিয়ে বসান। সেখানে তিনি গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন। এরপর কয়েকজন অভিভাবক তাকে মনোয়ারা হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎকরা তাকে (খায়রুল) মৃত ঘোষণা করেন।
তিনি আরো বলেন, মৃত্যুর ঘটনায় ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের অভিভাবক ফোরাম গভীরভাবে শোকাহত।
পরিবারের স্বজনরা জানান, মৃত খায়রুল ইসলামের দুই কন্যা সন্তান। তাদের মধ্যে একজন ভিকারুননিসা নূন স্কুলের দিবা শাখায় সপ্তম শ্রেণির ছাত্রী, আরেকজন মতিঝিল আইডিয়ালে পঞ্চম শ্রেণির। তিনি একজন ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী ছিলেন। মৃত ব্যক্তিকে তার গ্রামের বাড়ি নেত্রকোনায় নেয়া হবে। সেখানে তার দাফন করা হবে।
এ বিষয়ে ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক ফওজিয়া বলেন, ঘটনাটি আমি শুনেছি। বিষয়টি খুবই মর্মান্তিক।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।


