
সৌদির পররাষ্ট্রমন্ত্রী প্রিন্স ফয়সাল বিন ফারহান এক টুইটে বলেন, মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পম্পেওর সফরের সময় ক্রাউন প্রিন্স এবং ইসরায়েলের কর্মকর্তারা উদ্দেশ্যমূলক বৈঠকে অংশ নিয়েছেন এমন একটি খবর প্রকাশ পেয়েছে। একটি বৈঠক ঠিকই হয়েছে। কিন্তু ওই বৈঠকে শুধুমাত্র যুক্তরাষ্ট্র এবং সৌদির কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
ইসরায়েলের গণমাধ্যম প্রচারমাধ্যম কান এবং অন্যান্য সংবাদমাধ্যমে বলা হয়েছে যে, গত রোববার ওই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। কয়েক সপ্তাহ আগেই সৌদির ঘনিষ্ঠ দুই মিত্র দেশ আরব আমিরাত এবং বাহরাইন ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিকের চুক্তিতে পৌঁছেছে। এর মধ্যেই সৌদি ও ইসরায়েলের দুই শীর্ষ নেতার বৈঠকের কথা সামনে এলো।
দ্যা গার্ডিয়ানের প্রতিবেদনে বলা হয়, ফ্লাইট ট্র্যাকিংয়ের ডেটায় দেখা যায়, তেল আবিব থেকে নেতানিয়াহুর বিমান সৌদি আরবের লোহিত সাগরের উপকূলীয় শহর নেওমে যাত্রা করে। যেখানে যুবরাজ মোহাম্মদ এবং পম্পে একটি বৈঠক করছিলেন।
কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরার খবরে বলা হয়, ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করতে আরব দেশগুলোকে বোঝানোর জন্য যুক্তরাষ্ট্রের চাপের মধ্যে এই বৈঠক।
সোমবার ইসরায়েলের কান পাবলিক রেডিও এবং আর্মি রেডিও জানিয়েছে, লোহিত সাগর উপকূলের সৌদি শহর নেওমে ওই বৈঠকে অংশ নেন গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদের প্রধান ইয়োসি কোহেনও।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।


