
আবদুর রহমানের বাড়ি গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায়। তাঁর এক ছেলে ও এক মেয়ে আছে। ৩৩ বছর ধরে দক্ষিণখান এলাকার মসজিদে নামাজ পড়াচ্ছেন। জিজ্ঞাসাবাদে তিনি র্যাবকে জানিয়েছেন, তিনি আসমাকে প্রচণ্ড ভালোবেসে ফেলেছিলেন। তাঁর কথা রাখতে গিয়ে আজহারকে হত্যা করেছেন। তা না হলে আসমা নিজেই আজহারকে হত্যা করবেন বলে হুমকি দিয়েছিলেন। নিজেও মরবেন এবং তাঁকেও (আবদুর রহমান) মারবেন। অন্যদিকে আসমা র্যাবকে জানিয়েছেন, আজহারের আচার-আচরণ তাঁর ভালো লাগছিল না। এ কারণে তিনি পরকীয়ায় জড়ান।
র্যাব সূত্র জানায়, গত রমজানের আগেই আজহারকে হত্যার পরিকল্পনা করেন তাঁরা। প্রথমে ভাড়াটে খুনির কথা ভাবা হয়। পরে আবদুর রহমান নিজেই হত্যার দায়িত্ব নেন। সে অনুযায়ী গত ১৯ মে তিনি আজহারকে ডেকে এনে হত্যা করে লাশ ছয় টুকরা করে সেফটিক ট্যাংকে ফেলে দেন। এরপর সব ধুয়েমুছে মসজিদে নামাজ পড়ান। ধরা পড়ার আগ পর্যন্ত তিনি চার দিন নামাজ পড়ান। এ সময় নামাজে প্রতিবারই তিনি ভুল করেন।
র্যাবের লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইংয়ের পরিচালক কমান্ডার খন্দকার আল মঈন গতকাল কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘আবদুর রহমান ও আসমার বিয়ে করার কথা ছিল। আজহারকে হত্যা করতে দুজন পরিকল্পনা করেন বলে তাঁরা জিজ্ঞাসাবাদে স্বীকার করেছেন।’
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।



