
তিনি বলেন, রোহিঙ্গারা যাতে আত্মমর্যাদা ও সম্মানের সঙ্গে মিয়ানমারে ফিরতে পারেন, সেজন্য আন্তর্জাতিকভাবে ঐকমত্য প্রতিষ্ঠায় কাজ করছে ওআইসি।
তিনি জানান, ইন্টারন্যাশনাল কোর্ট অব জাস্টিসে যে মামলা চলছে সেই মামলায় রোহিঙ্গারা যাতে ন্যায়বিচার পান, তার জন্য আইনি লড়াইয়ে সহযোগিতা করছে ওআইসি।
এর আগে তার নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল প্রথমে ঢাকা থেকে হেলিকপ্টারে ভাসানচরে যান। সেখানে অবস্থানরত রোহিঙ্গাদের সঙ্গে কথা বলে ওই হেলিকপ্টারে কক্সবাজারের উখিয়ায় অবস্থিত রোহিঙ্গা ক্যাম্পগুলোতে পৌঁছান। সেখানে রোহিঙ্গা কমিউনিটি নেতাদের (মাঝি) সঙ্গে বৈঠক করেন তারা। ওই বৈঠকে ৭৬ জন রোহিঙ্গা নেতা অংশ নেন।
বৈঠকে ওআইসি প্রতিনিধি দলের পাঁচ সদস্য ছাড়াও তাদের সহযোগিতায় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ৯ সদস্য রয়েছেন।
মিয়ানমার সেনাবাহিনী ও সরকারের দমন-পীড়নে নিপীড়িত ও বাস্তুচ্যুত হয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া সাড়ে ১০ লাখের বেশি রোহিঙ্গা বর্তমানে টেকনাফ ও উখিয়ার ক্যাম্পগুলোতে বসবাস করছে। তাদের নিজ দেশে সসম্মানে ফিরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা চালাচ্ছে সরকার। তবে এখানকার ঘিঞ্জি পরিবেশ থেকে আপাতত নিরাপদ জীবনযাপনের জন্য অন্তত এক লাখ রোহিঙ্গাকে ভাসানচরে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। এরইমধ্যে সেখানে প্রায় ১০ হাজার রোহিঙ্গা চলে গেছে।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।



