
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, রোহিঙ্গা যারা বাংলাদেশি পরিচয়ে পাসপোর্ট নিয়ে সৌদি গিয়েছে, তারা যদি পাসপোর্ট রিনিউ করার আবেদন করে অবশ্যই আমরা বিষয়টি দেখব। সৌদি আরবে অবস্থানরত কোনো রোহিঙ্গা যদি একবার বাংলাদেশি পাসপোর্ট পেয়ে থাকে, তাহলে তারা রিনিউয়ের আবেদন করলে বিচার-বিশ্লেষণ করে বিষয়টি ভাবা হবে।
আরেক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, রোহিঙ্গা সমস্যা আজকের নয়। ৫০-৬০ বছর আগেও রোহিঙ্গারা বাংলাদেশে এসেছিল। সৌদি আরবও রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দিয়েছে। আপনারা জানেন, সৌদির একটি শহরে রোহিঙ্গারা একটা ক্যাম্প করে থাকছে। তবে বাংলাদেশে এবার আসছে ১.১ মিলিয়ন রোহিঙ্গা। এটা তো বিরাট একটা ফ্যাক্ট।
আসাদুজ্জামান খান বলেন, আমাদের কথা হচ্ছে- তারা সবাই রোহিঙ্গা, মিয়ানমারের অধিবাসী। আমরা সব সময় বলে আসছি, রোহিঙ্গারা বাংলাদেশি নাগরিক নয়। আর যদি আমরা কাউকে পাসপোর্ট দিয়ে থাকি, সে পাসপোর্ট রিনিউ অবশ্যই করব। কিন্তু যারা মিয়ানমারের অধিবাসী, তারা মিয়ানমারের সিটিজেন (নাগরিক), তারা বাংলাদেশের সিটিজেন নয়।
কিং সালমান হিউম্যানিটারিয়ান এইড অ্যান্ড রিলিফ সেন্টার বাংলাদেশে অবস্থানরত রোহিঙ্গা এবং স্বাগতিক দরিদ্র সম্প্রদায়ের মধ্যে একটি প্রকল্পের মাধ্যমে ৩০ হাজার ফুড বাস্কেট বিতরণের জন্য সৌদি বাদশাকে ধন্যবাদ জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। একইসঙ্গে বাংলাদেশ ও সৌদি আরবের মধ্যে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক অটুট থাকার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন তিনি।
এ সময় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ বর্তমানে যে ধরনের অর্থনৈতিক বিকাশের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে, তা অব্যাহত থাকলে ২০৩৫ সালের দিকে বিশ্বের ২৫তম বৃহৎ অর্থনৈতিক সমৃদ্ধশালী দেশ হবে আমাদের দেশ।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।



