
আগামী মঙ্গলবার (২৬ মে) মক্কার ঐতিহাসিক আরাফাত ময়দানে অনুষ্ঠিত হবে হজের মূল খুতবা ও সমাবেশ।
এ বছর বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে ২০ লাখের বেশি মুসলমান হজ পালন করছেন। বিশ্বের নানা প্রান্তের মানুষের আগমনে ইতিমধ্যে মক্কা ও মিনা প্রান্তর সমবেত লাখো মুসল্লির পদচারণায় মুখরিত হয়ে উঠেছে।
চলতি বছর ঝামেলামুক্ত ও নির্বিঘ্নে হজের কার্যক্রম সম্পন্ন করার জন্য ব্যাপক নিরাপত্তা ও সেবামূলক প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে সৌদি কর্তৃপক্ষ। পাশাপাশি মক্কায় অবস্থিত বাংলাদেশ হজ মিশনসহ বিভিন্ন দেশের হজ মিশনগুলো হাজিদের সেবায় সার্বক্ষণিক কাজ করছে। হাজিদের মিনায় নেওয়ার জন্য যাতায়াত ও আবাসনসহ সব ধরনের প্রস্তুতি ইতিমধ্যে সম্পন্ন করেছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
মূলত ‘তাঁবুর শহর’ নামে পরিচিত মিনা প্রান্তরে পৌঁছানোর মাধ্যমেই হজের মূল আনুষ্ঠানিকতার সূচনা ঘটে। হজের পাঁচ দিনের প্রথম দিন মিনায় অবস্থান করা এবং সেখানে ইবাদত-বন্দেগিতে মশগুল থাকা সুন্নত। মিনায় যাওয়ার আগে হাজিরা হজের নিয়তে ফরজ ইহরাম পরিধান করেন। মক্কায় অবস্থানরত বিদেশিরা নিজ নিজ হোটেল কিংবা মসজিদে হারাম বা নির্দিষ্ট মিকাত থেকে ইহরাম বেঁধে মিনায় রওনা হন। ৮ জিলহজ জোহরের নামাজের আগে মিনায় পৌঁছা এবং সেখানে পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ আদায় ও রাতযাপন করা সুন্নত।
মিনায় অবস্থানের পুরোটা সময় হাজিরা তালবিয়া, জিকির ও কোরআন তিলাওয়াতে মশগুল থাকেন। পৃথিবীর নানা ভাষার মুসলিমের মুখে উচ্চারিত ‘লাব্বাইক আল্লাহুম্মা লাব্বাইক, লাব্বাইকা লা শারিকা লাকা লাব্বাইক, ইন্নাল হামদা ওয়ান নিমাতা লাকা ওয়াল মুলক, লা শারিকা লাক’ (আমি হাজির, হে আল্লাহ আমি হাজির, তোমার কোনো শরিক নেই, নিশ্চয়ই সব প্রশংসা ও নিয়ামত তোমারই এবং সব সাম্রাজ্য তোমার) ধ্বনিতে মুখরিত হয়ে উঠেছে গোটা মিনা প্রান্তর।
মিনায় অবস্থানের পর পর্যায়ক্রমে ৯ জিলহজ আরাফাতের ময়দানে অবস্থান (যা হজের অন্যতম প্রধান রোকন), মুজদালিফায় খোলা আকাশের নিচে রাতযাপন এবং জামারাতে (শয়তানকে) কঙ্কর নিক্ষেপ, কোরবানি ও মাথা মুণ্ডনসহ নানা আনুষ্ঠানিকতা পালন করবেন হাজিরা। পরবর্তীতে জামারাতে কঙ্কর নিক্ষেপের মধ্য দিয়েই ১২ জিলহজ শেষ হবে চলতি বছরের হজের আনুষ্ঠানিকতা।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।


