
জুমবাংলা ডেস্ক : দেশের বাজারে গত কয়েক দিন ধরে পেঁয়াজের দাম লাগামহীন। এক সপ্তাহের ব্যবধানে কেজিতে ১৫ থেকে ২০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে নিত্যপণ্যটির দাম। হঠাৎ পেঁয়াজের এই দাম বাড়ার কারণ জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি। এছাড়া নিত্যপণ্যটির দাম যেন স্বাভাবিক থাকে সে ব্যাপারে সরকার সচেষ্ট বলেও জানিয়েছেন তিনি।
শুক্রবার বিকালে রংপুরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে মন্ত্রী জানান, ভারতের বিভিন্ন স্থানে বৃষ্টি হওয়ায় স্থানীয় বাজারে পেঁয়াজের দাম বেড়েছে। এই কারণে বাংলাদেশেও পেঁয়াজের দাম বেড়ে গেছে।
বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, ‘আমদানি কম হওয়ার পাশাপাশি ভারতে পেঁয়াজের দাম বাড়ায় আমাদের দেশেও দাম বেড়েছে। ভারতে দাম কমলে এখানেও কমে আসবে।’ এ সময় মন্ত্রী জানান, বাজার মনিটরিং করা হচ্ছে। অস্বাভাবিক দাম রাখার সুযোগ নেই।
এদিকে পেঁয়াজের দাম স্বাভাবিক রাখতে চেষ্টা চালাচ্ছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব এএইচএম সফিকুজ্জামান গণমাধ্যমকে বলেন, সীমান্তবর্তী এলাকায় আমদানি করা পেঁয়াজের চালান নির্বিঘ্ন করতে কক্সবাজার, সাতক্ষীরা, যশোর, রাজশাহী, দিনাজপুর, পঞ্চগড়, লালমনিরহাট জেলা প্রশাসনকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি পাবনা, ফরিদপুর, নওগাঁ, কুষ্টিয়াসহ আরও কয়েকটি জেলার ডিসিকে পেঁয়াজের মোকাম ও বাজার তদারকির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পেঁয়াজের ট্রাক যেন ফেরি পারাপারের সময় অগ্রাধিকার পায় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে সেটাও বলে দেওয়া হয়েছে।
শুক্রবার রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে, গত সপ্তাহের তুলনায় এ সপ্তাহে কেজিতে ১৫ থেকে ২০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে পেঁয়াজের দাম। প্রতি কেজি দেশি পেঁয়াজ কিনতে ক্রেতাদের গুনতে হচ্ছে ৭০ টাকা। আর ভারতীয় পেঁয়াজের জন্য কেজি প্রতি ক্রেতাকে গুনতে হচ্ছে ৬০ থেকে ৬৫ টাকা।
ভোক্তাস্বার্থ নিয়ে কাজ করা কনজ্যুমার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ক্যাব) সভাপতি ও সাবেক বাণিজ্য সচিব গোলাম রহমান বলেন, ‘বাজারে চাল, ডাল, সয়াবিন তেলসহ সব পণ্যের মূল্য বৃদ্ধি পেয়েছে। এখন পেঁয়াজের দাম হু-হু করে বাড়ছে। এ অবস্থায় ভোক্তা স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়ে বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগের কার্যক্রম সমন্বয় করা, চাহিদা, উৎপাদন ও আমদানির সঠিক হিসাব সংরক্ষণ করে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের তৎপরতা বাড়ানো উচিত। যেন জীবনযাত্রার ব্যয় সহনীয় রাখা যায়। মানুষকে বাঁচানো যায়।’
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।


