জাতীয় বিভাগীয় সংবাদ

লাম্পি স্কিন রোগে আক্রান্ত গরু বাড়ছে

জুমবাংলা ডেস্ক : ভোলায় বাড়ছে লাম্পি স্কিন রোগে আক্রান্ত গরুর সংখ্যা। তবে এই রোগের ভ্যাকসিন না থাকায় হতাশ খামারিসহ গরু মালিকরা। প্রতিদিনই আক্রান্ত গরুর সংখ্যা বাড়ছে। প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তারা শুধু পরামর্শ আর প্যারাসিটামল ট্যাবলেট দিয়েই দায়িত্ব পালন শেষ করছেন। তবে এ রোগের ভ্যাকসিন তৈরির নির্দেশ দিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

জানা গেছে, ১৯২৯ সালে প্রথম আফ্রিকার জাম্বিয়ায় এ রোগ দেখা যায়। পরে তা আফ্রিকা মহাদেশের বিভিন্ন দেশে ছড়িয়ে পড়ে। ২০১৩ সালে মধ্যপ্রাচ্যে এবং ২০১৪-২০১৫ সালের দিকে আজারবাইজান, আর্মেনিয়া, কাজাকিস্তানসহ আশপাশের দেশে দেখা যায়। ২০১৬ সালে লাম্পি রোগ গ্রিস, সাইপ্রাস, বুলগেরিয়া, সার্বিয়া, কসোভোতে ছড়ায়। চলতি বছর এশিয়া মহাদেশের চীন ও ভারতের কিছু কিছু অঞ্চলে দেখা যাচ্ছে।

লাম্পি স্কিন রোগে আক্রান্ত গরু থেকে বিভিন্ন মাধ্যমে রোগটি অন্য গরুতে ছড়িয়ে পড়ে। এই রোগ এক গরু থেকে অন্য গরুতে ছড়িয়ে পড়ার প্রধান মাধ্যমগুলো হলো- এডিস মশা ও মাছি। গরুর লালা থেকেও এ রোগ ছড়ায়। আক্রান্ত গাভী থেকে বাছুর দুধ পান করলে সেই বাছুরও আক্রান্ত হতে পারে।

আক্রান্ত গরুকে যে সিরিঞ্জ দিয়ে ইনজেকশন দেয়া হয় সেটি দিয়ে সুস্থ গরুকে ইনজেকশন দিলেও ছড়াতে পারে। খামারে কাজ করা মানুষের পোশাকের মাধ্যমে আক্রান্ত গরু থেকে অন্য গরুতে ছড়িয়ে পড়তে পারে। ভাইরাস আক্রান্ত ষাঁড়ের সিমেন এই রোগের অন্যতম বাহন।


ধারাবাহিকভাবে এই ক্ষত মুখের মধ্যে, পায়ে এবং অন্যান্য জায়গায় ছড়িয়ে পড়তে পারে। ক্ষত স্থান থেকে রক্তপাত হতে পারে। পাকস্থলী অথবা মুখের ভেতরে সৃষ্ট ক্ষতের কারণে গরু পানি পানে অনীহা প্রকাশ করে এবং খাদ্য গ্রহণ কমে যায়।

ভোলা সদরের চরসামাইয়া এলাকার গরু খামারি মো. সাহাবুদ্দিন ও চরফ্যাশন উপজেলার হাজারীগঞ্জ ইউনিয়নের গরুর খামারি খলিল মিয়া জানান, জেলার অর্ধেক গরু লাম্পি স্কিন রোগে আক্রান্ত।

ভোলা সদরের ইলিশা এলাকার গরু খামারি মো. মনির জানান, প্রথমে গরুর চামড়ার উপরিভাগে টিউমারের মতো উপসর্গ দেখা দেয়। পরে তা পক্সের (জলবসন্ত) মতো গুটি গুটি হয়ে গরুর শরীরের বিভিন্ন অংশে ছড়িয়ে পড়ছে। দু/এক দিনের মধ্যে প্রাণীর সারা শরীরে তা বড় বড় হয়ে ফেটে গিয়ে ঘা সৃষ্টি করছে। রোগাক্রান্ত গরু কিছু খায় না।

তিনি জানান, প্রাণী সম্পদ অফিস আক্রান্ত গরুকে মশারির ভেতর রাখা, বেশি পরিমাণ পানি ও ভাতের মার খাওয়ানো এবং জ্বর কমানোর জন্য প্যারাসিটামল ট্যাবলেট খাওয়ানোর পরামর্শ দেন।

জেলা প্রাণী সম্পদ বিভাগ সূত্রে জানা, ভোলা জেলায় গরুর সংখ্যা পাঁচ লাখ ৯৫ হাজার ২০টি। ১৮ নভেম্বর পর্যন্ত প্রাণী সম্পদ বিভাগ জেলায় ৩০১টি আক্রান্ত গরুর চিকিৎসার জন্য পরামর্শ দিয়েছেন। দিন দিন আক্রান্ত গরুর সংখ্যা বেড়েই চলছে।

ভোলা জেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা ইন্দ্রজিত কুমার মণ্ডল জানান, এটি একটি ভাইরাস রোগ। গরু প্রথমে জ্বরে আক্রান্ত হয় এবং খাবারের রুচি কমে যায়। জ্বরের সঙ্গে সঙ্গে মুখ দিয়ে এবং নাক দিয়ে লালা বের হয়। পা ফুলে যায়। সামনের দুই পায়ের মাঝ স্থানে পানি জমে। শরীরের বিভিন্ন জায়গার চামড়া পিণ্ড আকৃতি ধারণ করে, লোম উঠে যায় এবং ক্ষত সৃষ্টি হয়।


যাদের বাচ্চা আছে, এই এক গেইমে আপনার বাচ্চার লেখাপড়া শুরু এবং শেষ হবে খারাপ গেইমের প্রতি আসক্তিও।ডাউনলোডকরুন : http://bit.ly/2FQWuTP


আরও পড়ুন

লিয়াকত-নাজিম ফোনালাপে সিনহা খুনের রহস্য

Shamim Reza

আজ রক্তঝরা ১৫ আগস্ট জাতীয় শোক দিবস

Shamim Reza

বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের পাশের ভবনে জাল টাকার কারখানা, আটক ৬

Saiful Islam

আজ রক্তঝরা ১৫ আগস্ট জাতীয় শোক দিবস

Saiful Islam

বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে আমার কোনো সম্পর্ক নেই: ডা.জাফরউল্লাহ (ভিডিও)

Shamim Reza

বঙ্গবন্ধুর জন্য ৫০ হাজার বার কোরআন খতম করল এতিম শিশুরা

Shamim Reza