মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধের প্রভাব পড়েছে চট্টগ্রাম শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরেও। মধ্যপ্রাচ্যের আকাশপথ অনিরাপদের কারণে মঙ্গলবার আরও ৪টি ফ্লাইট বাতিল করেছে কর্তৃপক্ষ।
এর মধ্যে রয়েছে ‘ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনস’ আবুধাবি থেকে ফেরার কথা ছিল একটি ফ্লাইট, দুবাইয়ের উদ্দেশে ওড়ার কথা ছিল আরো একটির। ‘এয়ার আরাবিয়া’ শারজাহ থেকে আসা এবং যাওয়ার দুটি নির্ধারিত ফ্লাইটই বাতিল করা হয়েছে।
গত এক মাসে শাহ আমানত বিমানবন্দরের মোট ২২২টি আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বাতিলের নজিরবিহীন রেকর্ড গড়েছে। বিশেষ করে সালাম এয়ার, এয়ার আরাবিয়া ও ইউএস-বাংলার শারজাহ, দুবাই এবং আবুধাবি রুটের অচলাবস্থা কাটছেই না।
তবে আকাশ মেঘাচ্ছন্ন থাকলেও মঙ্গলবার মধ্যপ্রাচ্যের সঙ্গে সংযোগ একদম বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়নি। সীমিত পরিসরে হলেও ডানা মেলেছে কিছু উড়োজাহাজ।
৭টি আন্তর্জাতিক ফ্লাইট নিরাপদে অবতরণ করেছে এবং ৪টি আন্তর্জাতিক ফ্লাইট চট্টগ্রাম ছেড়ে গন্তব্যের উদ্দেশে উড়ে গেছে।
জানা গেছে, যুদ্ধের অস্থিরতায় ডানা মেলতে পারছে না একের পর এক আন্তর্জাতিক ফ্লাইট। স্থবিরতা কাটিয়ে যেখানে প্রাণ ফেরার কথা, সেখানে বাতিল করা হচ্ছে ফ্লাইট। এতে ভোগান্তিতে পড়ছেন যাত্রীরা।
যাত্রা নিয়ে হতাশা বিরাজ করছে যাত্রীদের মধ্যে। এ সংকাটপন্ন অবস্থা দ্রুত সমাধানের দাবি তাদের।
শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের মুখপাত্র ও জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রকৌশলী মোহাম্মদ ইব্রাহীম খলিল বলেন, ‘পরিস্থিতি পর্যালোচনায় দেখা যাচ্ছে, মধ্যপ্রাচ্যের আকাশপথের অস্থিরতা, আমাদের বিমান চলাচলে বড় ধরনের চ্যালেঞ্জ তৈরি করেছে। আমরা যাত্রীদের নিরাপত্তার বিষয়টিকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছি।’
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।


